জাতীয় দলের দরজাটা এখনো বন্ধই আছে আব্দুর রাজ্জাকের জন্য। সেই আক্ষেপটা বুকে নিয়েই ঘরোয়া লিগে নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছেন এ বাঁ-হাতি স্পিনার। বিসিএলে পাঁচ ম্যাচে নিয়েছেন ২২ উইকেট। শেষ ম্যাচের প্রথম ইনিংসেও সাজঘরে ফেরালেন নর্থ জোনের ৭ ব্যাটসম্যানকে। তার ঘূর্ণি বোলিংয়ে মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরি হারানোর আক্ষেপে পুড়লেন আরিফুল হক!
বিসিএলের শেষ রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে সাউথ জোনের বিপক্ষে ২৯৩ রানে অলআউট হয়েছে নর্থ জোন। ব্যাটিংয়ে জবাব দিতে নেমে এক উইকেট হারিয়ে ২১ রানে প্রথম দিন শেষ করেছে সাউথ জোন।
চট্টগ্রামে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল নর্থ জোনের। উদ্বোধনী জুটিতে ৬০ রান তোলেন দুই ওপেনার মিজানুর রহমান ও জুনায়েদ সিদ্দিকী। ২৯ রান করা মিজানুরকে ফিরিয়ে নর্থ ইনিংসে ধসের শুরু করেন রাজ্জাক। এরপর একে একে অন্যেরা আসা-যাওয়ার মিছিলে থাকলেও অন্যপ্রান্তে নিজের নবম ফার্স্টক্লাস সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগাচ্ছিলেন আরিফ।
৬ চারের সঙ্গে ৩ ছয়ে ৯৮ রান করতেই রাজ্জাকের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন আরিফ। ২৯.৪ ওভার বল করে ৬৯ রান খরচায় ৭ উইকেট ঝুলিতে ভরেন রাজ্জাক। বাকি তিন উইকেট নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করেছেন শফিউল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও নাহিদুল ইসলাম।
সিলেটে বিসিএলের আরেক ম্যাচে মুমিনুল হক ও ইমরুল কায়েসের ফিফটিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে বড় সংগ্রহের পথে ইস্ট জোন। প্রথম দিনে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৮০ রান করেছে দলটি।
দিনের শুরুতে রানের খাতা খোলার আগেই ওপেনার রনি তালুকদার ফিরলেও সেটা ভালোভাবেই সামলে নেন আরেক ওপেনার ইমরুল ও অধিনায়ক মুমিনুল। দুজনে মিলে গড়েন ১৩৬ রানের জুটি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ছন্দে না থাকলেও সোমবার ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিং করেছেন ইমরুল। ৭৯ বলে ৭৮ রান করতে ১২ চার হাঁকিয়েছেন এ বাঁ-হাতি। মুমিনুলও কম জাননি। সেঞ্চুরি না পেলেও ৯৫ বলে খেলেছেন ৮২ রানের ঝলমলে এক ইনিংস, যাতে চারের মার ছিল ৯টি।
ইমরুল-মুমিনুল ফিরলেও ৭৪ রানে অপরাজিত আছেন মাহমুদুল হাসান। ৫৭ রান করেছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জাকির হাসান।







