ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডে সিসি ক্যামেরায় সার্বক্ষণিক নজরদারি নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।
আর ভোর হওয়ার আগেই ময়লার স্তুপ চলে যায় ভাগাড়ে। দশ মাসে এসব উন্নতির পাশাপাশি অসঙ্গতিও আছে কিছু।
পূর্ব পাকিস্তান আমলে ঢাকার প্রথম পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা খিলগাঁওয়ের ‘এ’ এবং ‘সি’ জোনের সাথে খিলগাঁও সরকারি কলোনি ‘সি’ নিয়ে বর্তমান দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এক নম্বর ওয়ার্ড।
দশ মাস আগেও ঝকঝকে এ রাস্তায় যেখানে সেখানে পড়ে থাকতো ডাস্টবিন। এখন ওয়ার্ডের সব ডাস্টবিন এক জায়গায়। তাও সূর্য ওঠার আগেই পরিষ্কার। এমন উদ্যোগে স্বস্তি এলাকাবাসীর মনে।
এলাকাবাসীরা বলেন, রাস্তায় ডাস্টবিন না থাকায় জনগণের দুর্ভোগ অনেকাংশেই কমেছে। সঙ্গে রাস্তাঘাট পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকছে।
‘দিন এবং রাতে ওয়ার্ডের ৮০ ভাগ এলাকা থাকছে সিসি ক্যামেরার আওয়তায়। ওয়ার্ডের দু’টি খেলার মাঠ রাতেও থাকছে আলোকিত। কমেছে দুর্বৃত্তদের আনাগোনাও।’
তবে সমস্যা কিছু রয়েই গেছে। ওয়ার্ডে ফুটপাত দখল ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সঙ্গে আছে মাদকের ভয়াবহতাও।
এলাকাবাসীরা বলছেন, মাদক ইয়াবা এলাকাকে গ্রাস করছে। অনেকে আবার বলছে, ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রতিশ্রুতি সঠিকভাবে রক্ষা করতে পারছে না।
এলাকার দোকানীরা বলছেন, কাউকে চাঁদা না দিলেও পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়।
কিছু সমস্যা রয়ে গেছে স্বীকার করে নিজের বাকি সময়ের মধ্যে ওয়ার্ডকে ডিজিটাল ওয়ার্ডে রূপান্তরের ঘোষণা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের।
কাউন্সিলর ওয়াহিদুল ইসলাম মিল্টন বলেন, আমার এলাকার জনগণ সুন্দরভাবে এবং সুষ্ঠুভাবে যেন এখন এবং ভবিষ্যতে বসবাস করতে পারে সেভাবেই আমি এলাকা গড়ে তুলতে চাই। জনগণ পাশে রয়েছে, আমিও জনগণের সঙ্গে সব সময় থাকার চেষ্টা করি। এমন সমন্বয় থাকলে সুন্দর এলাকা গড়া সম্ভব।
রাতে ওয়ার্ডের পুরো এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখায় ওয়ার্ডবাসী স্বস্তিতে থাকলেও যত্রতত্র পার্কিং বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তির আশঙ্কা ওয়ার্ডবাসীর।







