দুর্বৃত্তদের হামলায় কদমতলী এলাকায় নিজ বাসায় খুন হয়েছে এক স্কুল ছাত্রী। চাপাতির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত সোহেলীর মা এবং ছোট বোন। পুলিশ বলেছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা না গেলেও, অপরাধীদের পরিচয় জানা গেছে।
রাজধানীর দক্ষিণ দনিয়ায় মিনাবাগের একটি বাসার দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতো ইতালী প্রবাসী মোহাম্মদ সেলিমের স্ত্রী ও দুই মেয়ে। বাড়ির দারোয়ান জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে খালার বাসা পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করে দুই যুবক। ঘরের ভেতর মা-মেয়েকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বড় মেয়ে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী সোহেলীর।
বাড়ির দারোয়ান জানায়, দুই যুবক এসে খালার বাসায় যাবো বলে বাসায় প্রবেশ করে। এরপর আমি তালা লাগিয়ে নামাজ পড়ার জন্য বাইরে যাই। ফিরে আসলে তারা আমাকে গেট খুলে দিতে বলে। আমি না খুললে, তারা আমাকেও কোপ দেয়। আমি মাটিতে পড়ে যাই।
ঘটনা শেষে পালিয়ে যাওয়ার সময় কলাপসিপল গেটে তালা দেখে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। তবে ভিড়ের মধ্য থেকে কিভাবে ওই দুই যুবক পালিয়ে গেছে সে ব্যাপারে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে।
ডিএমপি ওয়ারী জোনের ডিসি নুরুল ইসলাম জানান, তাদের সঙ্গে কি রিলেশন ছিলো, তা এখনও আমরা জানিনা। নিহতের মাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আমরা সব বলতে পারবো। ওই দুই যুবক পূর্ব পরিচিত ছিলো। তাদের নাম আমরা পেয়েছি। খুব তাড়াতাড়িই তাদের গ্রেফতার করতে পারবো।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির দারোয়ান এবং অপর একজনকে আটক করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু সোহেলীর মা এবং ছোট বোনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।







