স্কোরবোর্ড তিন অঙ্ক ছোঁয়ার আগে তিন উইকেট তুলে নিয়ে আফগানিস্তানকে শুরুতে চাপে রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু রহমত শাহ’র সেঞ্চুরিতে উল্টো চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। সঙ্গে হাফসেঞ্চুরি তুলে চাপের বোঝা আরও ভারী করেন রহমতকে দারুণ সঙ্গ দেয়া আফগান আসগর। তারপরই জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছেন নঈম হাসান।
টেস্টে আফগানদের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরিয়ানের নামটা এখন রহমত শাহ। তবে ইতিহাস গড়ার পরপরই আউট হয়ে গেছেন তিনি। এই সেঞ্চুরিয়ানকে ফেরানোর পর আরেক ঝলকে মোহাম্মদ নবিকেও ফেরান নাঈম।
আফগানিস্তান: ২০০/৫ (৭২)
লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে আফগানিস্তানের তিন নম্বর উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে স্লিপে দারুণ এক ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। তারপর আর সাফল্য পাচ্ছিলেন না টাইগার বোলাররা।
মাহমুদউল্লাহ’র আগে অবশ্য জোড়া আঘাতে বাংলাদেশ সাফল্য এনে দেন তাইজুল ইসলাম। প্রথম উইকেট নেয়ার সঙ্গে টেস্ট ক্রিকেটে উইকেটের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাঁহাতি এ স্পিনার।
বাংলাদেশের স্পিনারদের টাইট বোলিংয়ের সামনে বেশ সাবলীল ব্যাটিং করেছেন রহমত। লাঞ্চের পর বৃষ্টিতে অল্প সময়ের জন্য খেলা বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে বিশাল এক ছক্কায় দলের স্কোরকে তিন অঙ্কে (১০০) নেন তিনি। পরে মাঠে ফিরে তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি। সেটিকে রূপ দিলেন সেঞ্চুরিতেও।
আয়ারল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের খেলা দুই টেস্টে দুটি হাফসেঞ্চুরি আছে রহমত শাহ’র। যার মধ্যে আইরিশদের বিপক্ষে ৯৮ রানের একটি ইনিংসও ছিল। দেশ ও নিজের ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্টেই সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন তিনি।
ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরির পরপরই আউট হয়ে গেছেন। ১৮৭ বলে ১০টি চার ও দুই ছক্কায় ১০২ রান করে। সেইসঙ্গে আসগরের সঙ্গে ১২০ রানের জুটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে। তার উইকেট নেন নাঈম ইসলাম। পরের বলে নবিকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফেরান টাইগার স্পিনার।
রহমত শাহ’র সঙ্গে জুটিতে বাংলাদেশের অস্বস্তি বাড়ানো আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান আসগর আফগান ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। তিনি আগের হাফসেঞ্চুরিটি (৬৭) করেছিলেন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।








