এবছর রণদা প্রসাদ স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়েছে মোট তিন জনকে।গণপরিষদে বাংলা ভাষা প্রচলনের প্রথম দাবি তোলা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে মরণোত্তর আর পি সাহা স্বর্ণপদক সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এছাড়াও এবার আরপি সাহা স্বর্ণপদক পেয়েছেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ এবং অধ্যাপক ডক্টর মুহম্মদ জাফর ইকবাল।
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সময়ে ধর্ষণ ও ব্যভিচার প্রমাণ করে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের উন্নতি হলেও সমাজের সার্বিক উন্নয়ন হয়নি। সে কারণেই রণদা প্রসাদ সাহার দেখিয়ে দেওয়া পথে সমাজ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে।
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই অথচ এমন একজন মানুষের হাতেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শূন্যহাতে জীবন শুরু করা …কখনও যোদ্ধা, কখনও স্বেচ্ছাসেবী এই মানুষটি সবার কাছে পরিচিত ‘দানবীর’ হিসেবে। দেশবিখ্যাত ভারতেশ্বরী হোমস কিংবা কুমুদীনি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা মানুষটিকে তার ছেলেসহ একাত্তরের ৭ মে অপহরণ করে পাকিস্তানি হানাদার আর তাদের দোসররা। সেই দিনটির স্মরণে কুমুদীনি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট্রের আয়োজনে স্মারক বক্তৃতা, সম্মাননা ও স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠান।
গত বছর মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয় বেগম সুফিয়া কামালকে। স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছিলেন শিক্ষাবিদ আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ এবং কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যাক্তিত্ব শাইখ সিরাজ।
তিন বরেণ্য ব্যক্তি পেলেন এ বছরের রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক।
বিস্তারিত দেখুন বিডিও রিপোর্টে:









