আগের ম্যাচে ৮২ রানের অনবদ্য ইনিংস। এই ম্যাচে করলেন আরও দুই রান বেশি। উভয় ম্যাচেই ফলাফল এক। রকিবুল ঝলকে আবারও জিতল মোহামেডান। অধিনায়কের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে ৪ উইকেটে হারায় ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
প্রথম ব্যাট করে আড়াই ওভার বাকি থাকতে ২২৫ রানে অলআউট হয় খেলাঘর। জবাবে চার বল ও চার উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় মোহামেডান।
২২৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে শুরুটা দারুণ হয় মোহামেডানের। কিন্তু ওপেনিং জুটি ভাঙতেই যেন ছন্দ হারায় তারা। বিনা উইকেটে ৬৪ থেকে একশ’র আগেই তিন উইকেট নাই হয়ে যায়। অভিষেক মিশ্রা ২৭ ও আব্দুল মাজিদ ৪০ রানে ফেরার পর দ্রুত ফেরেন ইরফান সুক্কুর (১৬)।
এরপরই প্রতিরোধ গড়েন রকিবুল। প্রথম চেষ্টা করে মোহাম্মদ আশরাফুলকে নিয়ে। কিন্তু আগের ম্যাচে শূন্য রানে ফেরার পর এই ম্যাচে সুবিধে করতে পারেননি আশরাফুল। মাত্র ১০ রান করেই আউট হন তিনি। তবে আশরাফুল ফিরলেও ৩৮ বলে ৩৯ রানের গতিশীল ইনিংস খেলে অধিনায়ককে ভালো সঙ্গ দেন নাদিফ চৌধুরী। তার সঙ্গ পেয়ে একপ্রান্তে নিজের মতো করেই খেলেন রকিবুল। শেষ পর্যন্ত ৮৮ বলে আট চার ও এক ছক্কায় ৮৪ রানে অপরাজিত থাকার পাশাপাশি দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন মোহামেডান অধিনায়ক।
খেলাঘরের হয়ে রবিউল হক ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া রবিউল ইসলাম রাব্বী ও মাসুম খান একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় খেলাঘর। শুধু ব্যতিক্রম ছিলেন মোসাদ্দেক ইফতেখার। দলীয় সর্বোচ্চ ৮৭ রানের ইনিংস খেলে কাটা পড়েন রানআউটের খাড়ায়।
ইফতেখারকে যা একটু সঙ্গ দিয়েছেন অমিত মজুমদার। তিনি করে ৩৭ রান। দুজনের বাইরে ভারতীয় ব্যাটসম্যান অশোক মেনারিয়া ২৬ ছাড়া অন্য কেউ বলার মতো রান করতে পারেননি।
তিন উইকেট নিয়ে মোহামেডানের সফল বোলার সোহাগ গাজী। আলাউদ্দিন বাবু ও কাজী অনিক নেন দুটি করে উইকেট। আর আগে ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেয়া শফিউল ইসলাম এই ম্যাচে নেন একটি উইকেট। ব্যাট হাতে রান পেলেও বল হাতে একটি উইকেট পেয়েছেন আশরাফুল।










