মেয়েদের জাতীয় ক্রিকেট লিগে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখল সিলেট বিভাগ। কক্সবাজারে চট্টগ্রাম বিভাগকে ২ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জাহানারা, হ্যাপি, সুমনাদের নিয়ে গড়া দলটি। শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বুধবার ঢাকা ও রংপুরের মাঝে লড়াইয়ে যারা জিতবে তারা হবে দশম জাতীয় লিগের রানার্সআপ। দুটি দলেরই পয়েন্ট সমান ৮।
চট্টগ্রামকে হারিয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নেয় সিলেট। সাত ম্যাচের মধ্যে তারা হার দেখে মাত্র একটিতে।
ময়মনসিংহ ৮, রাজশাহী ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শেষ করেছে। সব ম্যাচে হেরে টেবিলের তলানীতে চট্টগ্রাম। খুলনা ও বরিশালের সমান ৬ পয়েন্ট। বুধবার লিগের শেষ দিনে মুখোমুখি হবে তারা।
মঙ্গলবার শেখ কামাল স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামকে ১৪২ রানে অলআউট করে ২ উইকেট ও ১৪ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় সিলেট। বল হাতে ৪ উইকেট নেয়ার পর দলের বিপদের সময় ২৫ রানের ইনিংস খেলে এ জয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন জাহানারা আলম। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে পান ম্যাচসেরার পুরস্কার।
এছাড়া শায়লা শারমিন ২১, মোনতাহা খাতুন ২০ ও মুর্শিদা খাতুন হ্যাপি করেন ১৪ রান। ১৪৩ রানের ছোট লক্ষ্য ৪৭.৪ ওভারে টপকায় সিলেট।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরুর পরও ৯ বল আগেই ১৪২-এ গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম। ২৮ রানের ব্যবধানে শেষ ৮ উইকেট হারায় তারা। তিনে নামা সোবহানা মোস্তারি ৫৯ রান করে সাজঘরে ফিরতেই একের পর উইকেট হারাতে থাকে চট্টগ্রাম।
দুই ওপেনার ফারজানা আক্তার লিসা ২৪ ও সাথী রানী করেন ১০ রান। শুরুর তিন ব্যাটার ছাড়া দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেনি কেউ। জাহানারা চারটি, শায়লা তিনটি, মুর্শিদা নাজনীন দুটি ও সানজিদা জান্নাত নেন উইকেট উইকেট।
জাতীয় লিগের গত আসর হয়েছিল টি-টুয়েন্টি সংস্করণে। গত বছর বাংলাদেশের মেয়েরা টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়ায় প্রস্তুতি হিসেবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে টুর্নামেন্টের আদলে মাঠে গড়ায় খেলা। শিরোপা জয়ে একচেটিয়া আধিপত্য দেখানো খুলনাকে পেছনে ফেলে শিরোপা জেতে সিলেট। যদিও সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের অনেকেই খুলনা বিভাগের।







