যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য ও গবেষণা সংস্থা অক্সফামের হাইতি কার্যালয়ে কর্মরত অক্সফাম কর্মীদের বিরুদ্ধে আনা যৌন নিপীড়ন ও হেনস্থার অভিযোগের বিষয়ে সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান মার্ক গোল্ড্রিং এবং ট্রাস্ট্রি থমসনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা। এসময় অক্সফামের এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তা যৌন কেলেঙ্কারির কথা স্বীকার করে হাইতি সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার কয়েকজন সদস্য অক্সফামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালনা পরিষদের গৃহিত পদক্ষেপের ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা একথা বলেন।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের সময় অক্সফাম কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়, যৌন অপরাধ দমনে সংস্থাটির পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়।
যৌনকর্মী হিসেবে নারীদের ভাড়া করার কথা অভ্যন্তরীণ এক প্রতিবেদনে ২০১১ সালে স্বীকার করেছিলেন যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক দাতব্য ও গবেষণা সংস্থা অক্সফামের হাইতি কার্যালয়ের সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর রোল্যান্ড ভ্যান হওয়ারমেইরেন। বর্তমানে অস্বীকার করলেও ওই বছর পদত্যাগের আগে তৈরি সেই প্রতিবেদনে একথা স্বীকার করেছিলেন তিনি।
প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত তিন অক্সফাম কর্মী ওই সময় তদন্ত চলাকালে তথ্য গোপনের উদ্দেশ্যে সাক্ষীদের সরাসরি হুমকি অভিযোগ ওঠে।
গত রোববার অক্সফাম হাইতিতে তাদের কর্মীদের যৌন কেলেঙ্কারি বিষয়ে ২০১১ সালে তৈরি ওই অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন চাপের মুখে পূর্ণাঙ্গ আকারে প্রথম প্রকাশ করে লন্ডনে হাইতির রাষ্ট্রদূতের কাছে সেটি হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে। এরপর প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় অক্সফামের ওয়েবসাইটে।
তবে প্রথম দফায় প্রকাশিত তদন্ত রিপোর্টে অভিযুক্তদের নামসহ বেশ কিছু অংশ মুছে দেয়া হয়। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুমুল সমালোচনার মুখে পূর্ণাঙ্গ মূল প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে অক্সফাম। অক্সফামের প্রায় ১০ হাজারের কর্মী বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে।








