চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

যে গৌরব আরো পাগল করেছে ক্রিকেটপাগল বাঙালিকে

নাদিরা সুলতানা নদী নাদিরা সুলতানা নদী
৭:১৬ পূর্বাহ্ণ ০৪, সেপ্টেম্বর ২০১৫
মতামত
A A

ক্রিকেটকে ঘিরে ভালোলাগা বা আকর্ষণ ঠিক কবে থেকে মনে নেই। তবে প্রবল উত্তেজনা নিয়ে ক্রিকেট শুনি, ক্রিকেট দেখি, ডায়রিতে ক্রিকেট নিয়ে লিখি প্রথম বোধ হয় ১৯৯২ বিশ্বকাপে। এর আগে যদিও বাসায় ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব এর মতো কিছু বিশাল মাপের ক্রিকেটারের আনাগোনা ছিল, মানে তাদের নিয়ে ছবি ও লেখা নানান পত্রিকা মারফত আমাদের বাসায় আসতো! যা আসতো তাই দেখতাম একটু বেশিই মনোযোগ দিয়ে। বুঝতাম, আমার মা-খালা-মামাদের কারো কারো পাকিস্তানি ক্রিকেটার ইমরান খানের চেয়ে ব্যক্তি ইমরানকে নিয়ে আগ্রহটা একটু বেশিই। 

১৯৯২ ওয়ার্ল্ড কাপ, তখন গুলকিবাড়ি, ময়মনসিংহে থাকি। ছোট ভাই স্কুলে পড়ে এবং ক্রিকেট খেলে। ছোট মামা থাকে আমাদের সাথে। তারও ক্রিকেট নিয়ে বেশ আগ্রহ। স্বভাবত:ই সেই ওয়ার্ল্ড কাপ শুরু হওয়ার আগেই বাসায় দলাদলি শুরু হয়ে গেলো। আমি ঠিক কোন দল সাপোর্ট করবো সেটা ঠিক করার আগেই ভাই-মামা পাকিস্তান টিম সাপোর্ট করে জেনেই কিনা জানি না, দেখলাম আমিও মন থেকে অ্যান্টি পাকিস্তান। বেশ জমে গেল খেলা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, শ্রীলংকা এবং অস্ট্রেলিয়ার দুই একজন করে খুঁজে নিই আর ছোট ডায়রিতে তাদের নাম লিখে লিখে বানাই আমার প্রিয় ক্রিকেটারের তালিকা। শেষমেশ প্রিয় টিম হয়ে ওঠে ইন্ডিয়া ক্রিকেট টিম। প্রবল উত্তেজনা নিয়ে সেই প্রথম ক্রিকেট দেখি এবং অতীব দুঃখের বিষয় আমি যাদেরই পছন্দ করি দেখি সে দলই হেরে যায়! তবে ক্রিকেটের সাথে একটা ভালোলাগা এবং উত্তেজনাকর সম্পর্ক এই ১৯৯২ বিশ্বকাপ থেকেই শুরু।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে থাকি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯। এই সময়কালেই ‘ক্রিকেট বাংলাদেশের স্বর্ণযুগ’ এ প্রবেশের অধ্যায় বলা যায়। এসিসি, আইসিসি কাপ এর অবিস্মরণীয় জয়, টেস্ট ক্রিকেটে স্ট্যাটাস লাভ, পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো হারানো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে থাকার সুবাদে সাক্ষী হতে পারি এমন স্বর্ণালী সময়ের। ক্যাম্পাসে আমাদের ক্রিকেটিয় সময়গুলো নিয়ে আজ নাই বলি। যদিও অনেক অনেক স্মৃতির ঝাঁপি খুলে গেছে মনে, সেকথা সময় পেলে বলা যাবে অন্য কোনো সময়।

আজ শেয়ার করছি আমাদের ক্রিকেটের সর্বশেষ একটা অবিস্মরণীয় দিনের প্রবাসী স্মৃতি, যার সাক্ষী হতে পেরে নিজেকে ভীষণ সুখি লাগে সবসময়। বিশ্বকাপ ২০১৫, অস্ট্রেলিয়া, পরবাসী জীবন। থাকি ছোট এক শহর এডিলেডে, সাউথ অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী। যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং বিখ্যাত ক্রিকেট মাঠের একটি এডিলেড ওভাল অবস্থিত। আর এই মাঠেই ছিলো এই ক্রিকেট বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত খেলার একটি, বাংলাদেশ ভার্সেস ইংল্যান্ড। খেলাটি পরিবার পরিজন নিয়ে মাঠে বসে দেখেছি এবং শামিল হতে পেরেছি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম একটি জয়ের আনন্দে। 

অস্ট্রেলিয়ার অন্য স্টেট থেকে তুলনামুলক এখানে বাংলাদেশীর সংখ্যা বেশ কম। সর্বসাকুল্যে পরিসংখ্যানে এখানে হাজার পাঁচেক বাংলাদেশী থাকলেও সব মিলিয়ে বসবাস করা সংখ্যাটা হয়তো আরো অনেক কম। ছোট খাট অনুষ্ঠানেই প্রায় সব বাংলাদেশীর দেখা হয়ে যায়। আর ক্রিকেট বিশ্বকাপের একটি খেলা হবে এই শহরে, কাছে পাবো এক টুকরো বাংলাদেশ, এই স্বপ্নে বিভোর বাঙালী এই খেলার টিকেট কিনে রাখে প্রায় বছর খানেক আগেই। 

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এডিলেড খেলতে আসার দিনটা যতো বেশিরএগিয়ে আসছিলো, পুরো এডিলেড এবং তার আশে পাশে সব কান্ট্রি টাউনে থাকা বাংলাদেশীদের মাঝে ততোই ছড়িয়ে পড়ছিলো প্রবল আবেগ এবং উত্তেজনা। প্রস্তুতিও ছিলো সেরকম। তাছাড়া এখানে খেলতে আসার আগেই ক্যানবেরা আর মেলবোর্নে বাংলাদেশের অন্য খেলাগুলোর আপডেট বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশীদের উত্তেজনাও আমাদেরকে যথেষ্ট ছুঁয়ে গেল। 

Reneta

আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক বেশি ক্রিকেট পাগল। আর বিশ্ব আসরে বাংলাদেশ দলের প্রবেশ আমাকে আরো বেশি পাগল সাপোর্টার বানিয়ে দিয়েছে। খেলার দিনটা আসার আগেই এখানকার একমাত্র বাংলাদেশী মালিকানাধীন গ্রোসারিতে চলে আসে বাংলাদেশের জার্সি, ক্যাপসহ নানান কিছু। অনেকের জন্য আসে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো শুধুমাত্র খেলা দেখার জন্যে বিশেষ পার্সেল, বাদ যায় না আমাদেরটাও! 

৯ মার্চ ২০১৫, খেলার দিনটা যত এগিয়ে আসছিলো, পুরো এডিলেডে থাকা বাংলাদেশীদের প্রস্তুতিও চলছিলো তুঙ্গে। খেলা শুরু হওয়ার আগে এডিলেড ওভাল গেটে কালচারাল অনুষ্ঠান ছিল দুই দেশেরই। এডিলেডভিত্তিক একটা বাংলাদেশী কালচারাল ক্লাব সেখানে পারফর্ম করার সুযোগ পায়। স্বাভাবিকভাবেই এখানে থাকা বাংলাদেশীদের উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢালার মতো খবর। এই খেলার আগেই অন্য শহরের খেলাগুলোতে বাংলাদেশী দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ মিডিয়া এবং ফেসবুকের কল্যাণে দেখছিলাম। তাই আমরাও ভিতর থেকে অন্য রকম একটা উত্তেজনা বোধ করছিলাম। প্রসঙ্গক্রমে বলি, আমি এখানকার একমাত্র বাংলা কমিউনিটি রেডিওতে কাজ করি, ক্রিকেটকে ঘিরে এখানকার রেডিও বাংলা এডিলেড এর ছিলো নানান আয়োজন।

সিডনী প্রবাসী সাংবাদিক ফজলুল বারী ভাই আমার হাজব্যান্ডের পরিচিত, তিনিই বাংলাদেশ থেকে এডিলেড আসবেন এমন প্রায় সব সাংবাদিকের সাথে আমাদের যোগাযোগ করিয়ে দেন। এতো এতো অতিথি আসবেন, কোথায় তাদের রাখবো, কি খাওয়াবো সেই নিয়ে আমরা সবাই ব্যস্ত হয়ে যাই। বলা যেতে পারে আমার প্রায় ৭ বছরের প্রবাস জীবনে এক অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে, মনের ভেতর টের পাই নাম না জানা একটা আবেগ।

খেলার দিনটি নিয়ে অনেক পরিকল্পনা করি, মনে মনে ফিরে যাই আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলোতে। আমাদের এখানে বসবাসরত বাংলাদেশীদের জন্যে কিছু ফেসবুক পেজ আছে, সেখানেই আমরা আমাদের কিছু সামাজিক চিন্তা ভাবনা আদান-প্রদান করি। অতি উৎসাহে একদিন বলি, আমরা কি খেলা দেখতে যাওয়ার আগে একটা আনন্দ র‌্যালি করতে পারি? ঘোষণার সাথে সাথে সবার ব্যাপক সাড়া, মনে মনে বলি, আমার ভালোলাগার ক্রিকেট, ভালোবাসার বাংলাদেশ তোমাকে অভিবাদন। আর কি করলে আমাদের মন ভরবে, ক্রিকেটারদের বোঝাতে পারবো তাদের ঘিরে আমাদের ভালোবাসা, তা নিয়ে উৎকণ্ঠার তবু শেষ নেই! 

খেলার প্রায় ৫/৬ দিন আগেই সিডনি, মেলবোর্ন হয়ে এডিলেড চলে আসে ৭১ টিভির খেলাযোগ সাংবাদিক ফাহিম রহমান আর ক্যামেরাম্যান তানভীর, আমাদের শহরে ক্রিকেটের প্রথম অতিথি। ভোর ৬টায় যাই তাদের পিক করতে, আমি কাজে চলে যাই তাদের রেখেই। দিন শেষে বাসায় ফিরে একসাথে চা খেতে গিয়ে মনে হয় না এদের সাথে আমার পরিবারের এক ঘণ্টা আগেও জানাশোনা ছিলো না! ফাহিম-তানভীর এর পরের দিনগুলোতে আমাদের পরিবারেরই দু’জন হয়ে কাটায়। খুব ভালো লাগে যখন দেখতাম ফাহিম আমাদের বাসার সামনে থেকেই লাইভ রিপোর্ট করছে আর আমি ঘরে বসে টিভিতে সেটা দেখছি, এ এক অন্য রকম অনুভুতি। 

খেলার আগের দিন আমাদের শহরে বাংলাদেশ থেকে আসা প্রায় সব মিডিয়ার সাংবাদিকরা আসতে থাকে। আমার যেহেতু ঠাঁই নেই ছোট তরী, তাই বাধ্য হয়ে চেনা জানা বন্ধুদের জিজ্ঞেস করি, কে কতোজন অতিথিকে জায়গা দিতে পারবেন। সেখানেও অভূতপূর্ব সাড়া, বেশ কয়েকজন জানান তাদের বাসায় গেস্ট রুম গুছিয়ে রাখবে। তবে এরপর একসাথে প্রায় ২০ জনের একটি দল এসে পৌঁছায় এবং তারা সবাই মিলে এখানকার হোটেলেই উঠবে জানায় কাজের সুবিধার জন্যে। তবে এই অতিথিদের থাকা না থাকা নিয়েই বুঝে নেই কাছের মানুষেরা কে কতোটা বাস্তববাদী বা আবেগী। পরিচিত এক ছোট ভাইয়ের বিশাল বাসা। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো, শুরুতে জানালো কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু, এরপর হঠাৎই ফোন করে সাংবাদিকদের নিয়ে খুবই আপত্তিকর মন্তব্য করলো। মনটা ভীষণ খারাপ হলো। না রাখাটা অস্বাভাবিক কিছু না, কিন্তু এমন একটা মন্তব্য! যাই হোক, সব চাপা দিয়ে এবার অপেক্ষা সেই দিনের, যার জন্য এত আয়োজন।

তবে বাংলাদেশ থেকে আসা অতিথিদের জন্যে এখানে থাকা বেশির ভাগ বাংলাদেশী আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসে কিছু না কিছু করতে। এখানকার সংগঠনগুলো আয়োজন করে কিছু ইভেন্টের। মজার বিষয় অনেক বড় বড় মানুষ তাদের জন্যে কিছু করবেন বলে কেমন ছেলেমানুষি করে ফেলেন, আবার অনেক ছোট ছোট মানুষেরা বিশাল সব আয়োজন করে চমকে দেন সবাইকে। এর মাঝেই আমার ছোট্ট বাসায় সবাইকে ডেকে নিয়ে আসি একবেলা খাওয়াবো বলে। অনেক ব্যস্ততায় আয়োজন ছিলে অতি সামান্যই, কিন্তু সবাই আন্তরিকভাবেই গ্রহণ করে আমাদের আতিথেয়তা।

খেলার আগের দিন মেলবোর্ন থাকা আমার ননদিনী চলে আসে তার দুই কন্যা স্বামীসহ, আসে সিডনি থেকে সাংবাদিক বারী ভাই। ক্যানবেরা থেকে ৭ জন বন্ধু। খেলার দিন সকালবেলা পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এডিলেড ওভাল থেকে মাত্র ৫/৭ মিনিট হাঁটা দূরত্বে পার্লামেন্ট হাউজের সামনে থেকে ঠিক ১১টায় দিয়েছিলাম র‌্যালি শুরুর সময়। অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশী কালচারাল ক্লাবের প্রোগ্রাম ছিল ১১ টা ৪৫ এর দিকে, র‌্যালি নিয়ে সবাই ওখানে জয়েন করবো এমনটাই ভাবনায় ছিলো।

বিবিসি বাংলার সাথে যোগাযোগ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া পরিচিত ছোট বোনের মাধ্যমে, সে ওখানে কাজ করে। ঠিক করা হয়, খেলার দিন বাংলাদেশ সময় সকাল ঠিক ৭ টা এখানকার সময় ১১টায় সকালের নিউজ থেকে লাইভ কল করা হবে, আমি এখানকার র‌্যালি থেকে লাইভ জানাবো অবস্থা।

সব মিলে খেলার দিনের আগের রাত আমাদের ঘুম হারাম। তারপরও সকালে র‌্যালিতে যোগ দিতে সময় মতোই রওনা দেই। কিন্তু মনটা শুরুতেই খারাপ হয়ে যায় অল্প অল্প বৃষ্টি দেখে। র‌্যালির জমায়েত এখানকার এডিলেড সিটির মাঝখানেই। যাওয়ার সময় দেখি শহরে ঢোকার পথে যে ম্যাকডোনান্ড, তার আশে পাশে প্রায় অর্ধশত গাড়ি এবং সব বাংলাদেশী জার্সি পরা মানুষ। বুঝতে পারি সব অন্য শহর থেকে আসা বাংলাদেশী ভাই ও বোনেরা এরা। আমরা ওখানে থামি, বারী ভাই ডেকে নিয়ে আসেন টাইগার মিলনসহ পরিচিত বেশ ক’জনকে। যাদের প্রায় সবাই সারা রাত ড্রাইভ করে এসেছেন মেলবোর্ন থেকে। তাদেরকে র‌্যালির কথা বলে আমি চলে যাই ওখানটাতে। ঠিক দাঁড়ানো মাত্রই বিবিসি বাংলা থেকে ফোন পাই এবং আমাকে লাইেভ থাকতে বলা হয়। আমি ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে অপেক্ষায় থাকি আমার চেনা মুখগুলোর।

বুঝতে পারি, একদিকে বৃষ্টি, আবার কাছের অনেকেই সাউথ অষ্ট্রেলিয়ার প্রিমিয়ার ক্রিকেটারদের সকালের চা চক্রে ডেকেছে বলে ওখানে গেছে, আবার অন্য শহর থেকে আসা অতিথি, সব মিলে হয়তো সবারই ‘বেড়াছেড়া’ অবস্থা। কিন্তু তাই বলে ১১টায় আমি একা একা দাঁড়িয়ে থাকবো এই জায়গাটায়, কল্পনাও করিনি। বিবিসি বাংলায় কথা বলা শুরু করলাম এবং কথা বলতে বলতেই দেখেছিলাম টাইগার মিলনকে নিয়ে আমার পরিবার এবং বারী ভাই আরো কিছু অতিথিসহ এগিয়ে আসছেন। রেডিও বাংলা এডিলেড নামে র‌্যালি আয়োজক থাকলেও ওভাবে কাউকে দেখা গেলো না তখনও। দেশের কোটি মানুষ যেভাবে বাংলাদেশের খেলার দিন কারণে অকারণে নিজেদের কুফা ভাবতে পছন্দ করে আমি নিজেও শুরু করলাম ওভাবে ভাবতে। র‌্যালি আয়োজন শুরুতেই মনে একটা চাপ দিয়ে গেলো, তারপরও রেডিও সংশ্লিষ্ট ৫/৭ জন ছাড়াও স্থানীয় কিছু পরিবারসহ বেশির ভাগই অস্ট্রেলিয়ার অন্য শহর থেকে আসা বাংলাদেশী, ছিলো আমার সঙ্গে রেডিওতে কাজ করা অস্ট্রেলিয়ান বন্ধু রিটা। টাইগার মিলনকে মধ্যমনি করে আমরা এগিয়ে যাই এডিলেড ওভালের দিকে, কণ্ঠে ভীরু উচ্ছ্বাস, চোখে বিজয়ের স্বপ্ন। এরপরের ইতিহাস পুরো ক্রিকেট বিশ্ব জানে, জানে বাংলাদেশের ক্রিকেট পাগল জনতা।

(মাঠের গল্পটা আজ তবে থাক, সে এক অবিস্মরণীয় সুখ স্মৃতি, বেঁচে থাকলে বলা যাবে ক্ষণ)!!! 

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: ক্রিকেট
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের সাফল্য

জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচির বিজ্ঞপ্তি সঠিক নয়

জুলাই ২১, ২০২৬

আট বছর পর ঢাকায় বসতে যাচ্ছে সাফের আসর

জুলাই ২১, ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬

জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি: আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপি (সংগৃহীত)।

মামলার জট কমাতে নতুন উদ্যোগ, এক বছরে মামলা ২০ লাখে নামানোর লক্ষ্য

জুলাই ২১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT