রাষ্ট্রপতির অনুকম্পা প্রার্থনা নাকচ হলে যে কোনো সময়ে কার্যকর হতে যাচ্ছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে ফাঁসির মঞ্চ তৈরিসহ সব প্রস্ততি নিয়ে রেখেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
সকালে কেন্দ্রীয় কারাগারে যান দুই ম্যজিষ্ট্রেট মুশফিকুর রহমান ও তানভীর আহমেদ। তারা কারাগারের ভেতরে দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্ততি দেখেন। পরে আলাদাভাবে তারা কথা বলেন মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জোট সরকারের মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং ওই সময় মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে।
দুই ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে সেসময় একাত্তরের আল বদর কমান্ডার মুজাহিদ এবং চট্টগ্রামে গণহত্যা চালানো সাকা চৌধুরী দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে অনুকম্পা চেয়ে আবেদনপত্রে সই করেন। কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই আবেদনপত্র পাঠানো হয় মন্ত্রণালয়ে। সেখান থেকে যায় বঙ্গভবনে।
প্রায় সাড়ে ৫ ঘন্টা অবস্থানের পর কারাগার থেকে বের হয়ে যান দুই ম্যাজিস্ট্রেট।
তার আগে থেকেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর ও বাইরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া কারাগারের আশপাশের পথগুলোতে। অবস্থান নেয় পুলিশ র্যাব ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা।
সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে সব প্রস্ততি নেয়ার কথা জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।






