নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে সাবেক মন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, নির্বাচনের মাঠ এমনই সমতল যে, পুলিশর বুটের তলে পড়তে হয়।
রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে দেখা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।
এরপর সাংবাদিকদেরকে সাবেক এ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘আমি নিরীহ মানুষকে আহত, নিহত হবার সুযোগ কেনো করে দেবো? যারা আহত নিহত হবে। তাদের দায় আমাকে নিতে হবে। আমি সেই দায় নেবো না।’
‘‘আমি আর নির্বাচন করছি না। কারণ মাঠ নির্বাচন করার মত সমতল নয়। মাঠ এমনই সমতল যে পুলিশের বুটের তলে পড়তে হয়। আর সন্ত্রাসীদের লাঠির আঘাত খেতে হয়। আমার অফিস ভেঙে দিয়েছে। আমার নিরীহ লোকদেরকে প্রতিনিয়ত গ্রেপ্তার করছে। যারা সমর্থক তাদেরকে পুলিশ প্রতিনিয়ত টেলিফোন করে ভয় দেখাচ্ছে। এর পরে ইলেকশন করা যায় নাকি?’’
তিনি আরো বলেন: ইলেকশনটাতো বাণিজ্য নয়। আমি জীবনে অনেক ইলেকশন করেছি। ১৯৭০ সাল থেকে শুরু করেছি আজকে ২০১৮ সাল এই রকম নির্বাচন আমার এলাকায় আমি জীবনেও দেখিনি। আমি আর শাহাজাহান সিরাজ ছিলাম দুই প্রতিপক্ষ। কিন্তু আমাদের মধ্যে এই ধরণের কোনো ঘটনা ঘটে নাই।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে লতিফ সিদ্দকী বলেন: চীফ ইলেকশন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। কিছুই চাইনি। আমি কিছু চাওয়ার লোক না। আমি বলে আসলাম, আপনি যে পরিচালনাটা করছেন। এই পরিচালনায় আপনি ব্যর্থ। এই পরিচালনায় নির্বাচন হতে পারে না। তাই আমি মাঠ ছেড়ে দাঁড়ালাম।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনতো আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। তাই আমি সরে দাঁড়ালাম। আমি এতো বড় বীর পুরুষ হতে চাই না। এটা স্বাধীনতা যুদ্ধ না যে, মুখোমুখি লড়াই করবো। যার সাথে লড়াই করবো সে আমারই কর্মী কিংবা কর্মীর সন্তান। আমি কেনো যাবো এই ধরনের হানাহানিতে? যদি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে না পারে।
‘‘আমি সিইসিকে বলে দিয়ে আসলাম আপনি স্বীকার করুন আর না করুন আপনি ব্যর্থ।’’
কমিশনের পক্ষ থেকে কি বলা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন: কিছুই বলা হয়নি। আমিতো তার কাছে কিছু শুনতে চাইনি। আমি বলেছি এক মিনিট আপনার সাথে দেখা করে চিঠি দিয়ে চলে যাবো।








