মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীতে শুরু হয় আষাঢ়ের ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি। তাই রোদের দেখা নাই। এরই মধ্যে হাইকোর্ট ও ট্রাইব্যুনাল এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাজির হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শত শত সদস্য। তাদের নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে আপিল বিভাগের এজলাসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন অসংখ্য আইনজীবী ও গণমাধ্যম কর্মী। এজলাসে উপচে পড়া ভিড়। ঘড়িতে তখন সকাল ৯টা।
তখনও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অাইন কর্মকর্তা এটর্নি জেনারেল এজলাসে পৌঁছাতে পারেন নি। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এজলাসে নিজ নিজ আসনে বসে পড়েন বিচারপতিরা। প্রাসঙ্গিক কথা বলার পর ৯টা ৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সংক্ষিপ্ত রায় পড়া শুরু করেন।
এরজন্য সময় নেন মাত্র ১ মিনিট। বললেন, ‘আমি সংক্ষিপ্ত রায় পড়ে শোনাচ্ছি। এই অংশটা আংশিক অনুমোদন। প্রথম অভিযোগ খালাশ, তিন, পাঁচ, ছয় অভিযোগ মেইনটেইন এবং সাত নম্বার অভিযোগে লাইফ টাইম।’
এই ১ মিনিটেই সুনিশ্চিত হয় আলবদর প্রধান আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের সর্বোচ্চ সাজা।
রায় ঘোষণা শেষে এজলাস কক্ষ থেকে একে একে সবাই বের হয়ে আসেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, রায়ে আমরা খুশি নই, কি করবো পরে জানানো হবে।
এরমধ্যেই শুরু হয়ে যায় গণমাধ্যম কর্মীদের হাঁক-ডাক। তাদের প্রতিযোগিতা কে আগে দিতে পারবে ‘ব্রেকিং নিউজ’। অনেকেই আগেই স্টোরি লিখে রেখেছেন বাকি ছিল শুধু ফলাফল।
আদালতের বাইরে বৃষ্টির মধ্যেই দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেকেই। তাদের একজন বললেন, দীর্ঘ বছর এই রায়ের অপেক্ষায় ছিলাম। আজ শান্তি পেলাম।
রায়ের পর এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন আলবদর প্রধান মুজাহিদ।’ এই বদর প্রধান জাতির অপূরনীয় ক্ষতি করেছেন।







