কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে গরু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
চুয়াডাঙ্গার কয়েক হাজার খামারি। প্রাণি সম্পদ বিভাগ থেকে গরু মোটাতাজাকরণে
প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেয়া হয়েছে খামারিদের।
জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় কোরবানী ঈদের জন্য বাণিজ্যিক খামারসহ পারিবারিকভাবে পালন করা হচ্ছে ৫২ হাজার গরু ও এক লাখ ২০ হাজার ছাগল।
খামারিরা বলেন, ভূষি, ধানের গুড়ো, ঘাস, মুসরির ছাল খাওয়ানো হয় গরুকে। কোনো প্রকার মেডিসিন, মোটাতাজা করার জন্য কোনো ওষুধ দেয়া হয় না গরুকে।
বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ গরু পালন করে বাড়তি আয়ের উদ্যোগ নিয়েছেন।
দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় রয়েছে ভারত থেকে বৈধপথে গরু আসার একমাত্র করিডোর। তবে চুয়াডাঙ্গার গবাদি পশু শুল্ক করিডোর তত্ত্বাবধায়ক কাজীউল ইসলামের অভিযোগ গরু আমদানি চালু থাকলেও গত এক সপ্তাহে একটি গরুও আসেনি।
গরু মোটাতাজাকরণে নিষিদ্ধ ভ্যাকসিনের অপকারিতা জানাতে ঔষধ ব্যবসায়ী ও খামারিদের নিয়ে বৈঠক করেছে জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ।
খামারিরা জানান, এখন এক একটি গরু পালনে তাদের খরচ ১৪শ’ থেকে ১৫শ’ টাকা। ভারত থেকে গরু আসলে কাঙ্ক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হবেন তারা।









