যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যমতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি বাড়িতে বাস করছিলেন আল-কায়েদা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি। বাসার বারান্দায় জাওয়াহিরির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় সিআইএ। ড্রোন থেকে দু’টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। সে সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়িটিতে উপস্থিত থাকলেও শুধুমাত্র জাওয়াহিরি নিহত হন বলে দাবি করেছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চলতি বছরের শুরুতে জাওয়াহিরির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হন তারা। এরপর কয়েক মাস ধরে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
জাওয়াহিরি আফগানিস্তান বা পাকিস্তানের পাহাড়ী এলাকায় অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছিলো।
তবে মার্কিন গোয়েন্দারা কয়েক বছর আগে নিশ্চিত হন যে আফগানিস্তানের পাহাড়ী অঞ্চল থেকে থেকে জাওয়াহিরি তার নেটওয়ার্ক সরিয়ে কাবুলে স্থানান্তর করেন।
কাবুলের যে বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জাওয়াহিরি অবস্থান করতে শুরু করেন সে বাড়িটি এবছর মার্কিন গোয়েন্দারা চিহ্নিত করতে পারেন।
জাওয়াহিরিকে হত্যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের কথা বললেও বিবিসিকে এক তালেবান মুখপাত্র বলেছেন, আফগানিস্তানে অনুপ্রবেশ করে এই অভিযান আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
৭১ বছর বয়সী আয়মান আল-জাওয়াহিরি একসময় পেশায় চোখের সার্জন ছিলেন। ২০১১ সালে ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুর পর আল-কায়েদা’র নেতৃত্বে আসেন। লাদেনের সাথে মিলে জাওয়াহিরির বিরুদ্ধে নাইন-ইলেভেন হামলা পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে। ২০০০ সালের অক্টোবরে মার্কিন রণতরী ইউএসএস কোলে আত্মঘাতী হামলায় ১৭ নাবিকের মৃত্যুর জন্যও তাকে দায়ি করা হয়।







