ইরানের সাবেক রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে গৃহবন্দী রাখা হয়েছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং তাকে ঘিরে কথিত একটি ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) তাকে নজরদারির আওতায় রেখেছে।
সোমবার ১৩ জুলাই নিউইয়র্ক পোস্টে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে চারজন ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, ৬৯ বছর বয়সী আহমাদিনেজাদকে আইআরজিসির গোয়েন্দা শাখা একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে বের হওয়ার পর আটক করে। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, বর্তমান ধর্মতান্ত্রিক শাসনের পরিবর্তে তাকে ক্ষমতায় বসানোর একটি ব্যর্থ ইসরায়েলি পরিকল্পনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়েছিল।
নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে কথিত এক অভিযানের সময় আহমাদিনেজাদের কম্পাউন্ডে ইসরায়েলি হামলার পর তাকে দ্রুত একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে গত সপ্তাহে তিনি পুনরায় জনসমক্ষে উপস্থিত হন। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানে তাকে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার শাসনামল কঠোর নীতি, পশ্চিমাবিরোধী অবস্থান এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্য আলোচিত ছিল।







