টানা খেলার ভেতর থাকায় প্রায় দশ মাস ফিটনেস নিয়ে কাজ করেননি বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। লম্বা ছুটির পর গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে তাই ফিটনেস দিয়ে ক্যাম্প শুরু করেছেন তারা। প্রথম তিন সপ্তাহ এই ফিটনেস নিয়েই থাকবেন সাকিব-মুশফিকরা।
আগস্ট-সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্টের হোম সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। তার কয়েকদিন পর সাউথ আফ্রিকায় পূর্ণাঙ্গ সিরিজ (টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি)। পরপর দুটি সিরিজ সামনে রেখে সোমবার থেকে মিরপুরে প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু করেছে জাতীয় দল। ফিটনেস পর্বের পর স্কিল ট্রেনিং।
ক্যাম্পের প্রথম দিন মাশরাফী-সাকিবদের ফিটনেস পরীক্ষার জন্য ব্লিপ টেস্ট নিয়েছেন জাতীয় দলের ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়ান। স্কিল ক্যাম্পের আগে যোগ দেবেন হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, ফিল্ডিং ও সহকারী কোচ রিচার্ড হ্যালসল এবং পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ।
ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ২৯ ক্রিকেটারের মধ্যে পাঁচ ক্রিকেটার (লিটন, এনামুল, তানবীর, সাইফউদ্দিন, আবুল হাসান) এইচপি দলের হয়ে আছেন অস্ট্রেলিয়া সফরে। তামিম ইকবাল এসেক্সের হয়ে খেলছেন ইংল্যান্ডে। দেশে থাকা বাকি ২৩ ক্রিকেটারের মধ্যে ছিলেন না পেসার রুবেল হোসেন।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময় বার্মিংহামে হোটেলের দরজার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে রুবেল ডান চোখ ও কানের মাঝামাঝি অংশে চোট পেলে দেশে ফিরে অস্ত্রোপচার করান। তাকে অন্তত চার সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে এর মধ্যে। স্পোর্টস অ্যাকটিভিটিতে ফিরতে আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে এই পেসারকে।
সবশেষ ফিটনেস ক্যাম্প হয়েছিল ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড সিরিজের আগে।

ক্যাম্প নিয়ে মারিও ভিল্লাভারায়ন বলেন, ‘ফিটনেস নিয়ে কাজ হয়েছিল অনেকদিন আগে। ক্রিকেটারদের ফিটনেস কেমন আছে তা এই ক্যাম্পের মাধ্যমে বুঝতে পারব। ফিটনেস ট্রেনিংয়ে ব্যাটিং, বোলিং ফিল্ডিংয়ের জন্য যে শারীরিক সক্ষমতা থাকতে হয়; এসকল বিষয় নিয়েই এখানে কাজ হবে।’







