মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোটামুক্ত সুবিধা না দেয়াকে বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক
ও নির্দয় সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ব্যবসায়ীনেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি বলেছেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোকে এই
সুবিধা দেয়া হলেও বাংলাদেশকে বঞ্চিত করছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে উচ্চ
পর্যায়ের একটি বৈঠকে অংশ নিয়ে শরণার্থী ও অভিবাসীদের নিরাপত্তার ওপর জোর
দিতে বিশ্বনেতাদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিয়ে প্রথম দিন ব্যস্ত সময় পার করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হোটেল ওয়াল্ডফ এসটোরিয়ায় বিজনেস কাউন্সিল অব ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারস্টান্ডিং এর সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হয়ে আসা ব্যবসায়ী নেতারা।
বাংলাদেশে ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে জিএসপি সুবিধা বাতিল করে। ২০১৫ অন্যান্য সাউথ এশিয়ান দেশগুলোতে জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দিলেও বাংলাদেশকে না দেওয়াটা দুঃখজনক ও নির্দয় সিদ্ধান্ত। এখন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশকে কোটামুক্তভাবে প্রবেশের সুবিধা প্রদান করা উচিত।
এর আগে জাতিসংঘ ভবনে অভিবাসন এবং শরনার্থী বিষয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান তিনি জোর দেন শরনার্থীদের নিরাপত্তার ওপর। বলেন, আমরা কাউকেই পেছনে ফেলে যেতে চাই না। অভিবাসন অধিকার সবসময় নিরাপদ থাকা উচিত। আমাদের বৈচিত্রময় সমাজে অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকারের উন্নয়ন ও সংরক্ষণ খুবই জরুরি।
এর ফাঁকে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অন সাং সুকি এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ ভবনেই অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ে আরো একটি সভায় কো-চেয়ারের দায়িত্বও পালন করেন শেখ হাসিনা।










