প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সকল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার পুর্নব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক গুপ্তহত্যায় যারা জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিছিন্ন যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলো পরিকল্পিত।
যুদ্ধাপরাধীর বিচার বানচালের ষড়যন্ত্রেই এসব ঘটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এ ধরনের কর্মকান্ড ঘটিয়েছে তাদের এরই মধ্যে আমরা গ্রেফতার করতে শুরু করেছি। তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করা হবে। বৃহস্পতিবার রাতে বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় হোটেল মারিনেলায় বুলগেরিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই আদালতের রায়ে যাদের ফাঁসি হয়েছে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করেছি। যারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে তাদের আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। তিনি আরও বলেন, এদের বিচারে আমরা বিশেষ কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করিনি। স্বাভাবিক বিচার ব্যবস্থায় বিচার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ইতিহাস প্রসঙ্গে বলেন, পঁচাত্তর-পরবর্তী সরকারগুলো ইতিহাস বিকৃতির ষড়যন্ত্র করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের মহান আত্মত্যাগ এবং সংগ্রামের ইতিহাসকে ধূলিস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করে।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে সোফিয়াতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের নানা সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বুলগেরিয়াতে তারা যাতে কনস্যুলার সার্ভিস সুবিধা পান- সংশ্লিষ্টদের সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বুলগেরিয়ার সর্বাত্মক সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বুলগেরিয়া বিশ্বে চতুর্থ দেশ হিসেবে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় একটি হোটেলে ওই দেশ ছাড়াও বেলজিয়াম, জার্মানী, গ্রীস ও সুইডেনের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় তিনি এ কথা বলেন।
পরে বুলগেরিয়ার একটি মিউজিয়াম ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।










