অবশেষে হারের মুখ দেখল ম্যানচেস্টার সিটি। পেপ গার্দিওলার সিটি যে হারতে পারে সেটা প্রায় ভুলতেই বসেছিল ফুটবল দর্শকরা। চলতি মৌসুমে সেই ‘প্রায় অসম্ভব’কে সম্ভব করেছে সারির চেলসি। ঘরের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ম্যানসিটিকে ২-০ হারায় ব্লুজরা।
লিগে টানা ২১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পর প্রথম হারের স্বাদ পেল সিটি। এর আগে গত এপ্রিলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে ঘরের মাঠে ২-৩ গোলে হেরেছিল গার্দিওলার দল। আর অ্যাওয়ে ম্যাচে ১৪ ম্যাচ পর হারল তারা। এই হারে অবশ্য লিভারপুলের কাছে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানটাও হারিয়েছে সিটি।
দুই অর্ধে দুটি গোল পায় চেলসি। প্রথমার্ধে এনগোলো কন্তের গোলে চেলসি এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডেভিড লুইস। শেষ পাঁচ ম্যাচে চেলসির এটি দ্বিতীয় জয়।
হারলেও ম্যাচের লাগাম ছিল ম্যানসিটির হাতেই। প্রথমার্ধে বল দখলে আধিপত্য রেখে সুযোগ তৈরি করে সিটি। কিন্তু রাহিম স্টার্লিং ও লিরয় সানের ‘ছেলেমানুষি’ ভুলে গোল পাওয়া হয়নি তাদের। উল্টো প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে কন্তের গোলে লিড নেয় স্বাগতিক চেলসি। এডিন হ্যাজার্ডের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিং দেন বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি মিডফিল্ডার।
বিরতির পর সমতায় ফেরার কাছাকাছি চলে গিয়েছিল ম্যানসিটি। কিন্তু কাইল ওয়াকারের দারুণ এক ফ্রি-কিক অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন চেলসি গোলকিপার কেপা আরিজাবালাগা। সিটির আক্রমণের ফাঁকেই ৭৭ মিনিটে জয় নিশ্চিত করে ফেলে চেলসি। হ্যাজার্ডের কর্নার কিক থেকে চিতার ক্ষিপ্রতায় হেড দিয়ে জালে বল জড়ান ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার লুইস।
১৬ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ম্যানসিটি। সমসংখ্যক ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে লিভারপুল। ১৬ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে টটেনহ্যাম। আর সমসংখ্যক ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয় নম্বরে ম্যানইউ।








