রূপগঞ্জের সামনে মোহামেডানের দেয়া তিনশ ছুঁইছুঁই লক্ষ্য। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের ২২ গজে কাজটা মোটেও সহজ ছিল না। আজমীর আহমেদ শুরুতেই রানআউট হয়ে ফেরায় আরও কঠিন হয়ে যায় ২৯৫ রান তাড়ার স্বপ্ন। তবে নাঈম ইসলাম, মুমিনুল হক, রিশি ধাওয়ানের ফিফটি ও জাকের আলী অনিকের ২৬ বলে ৩৪ রানের ক্যামিও ইনিংসে ৪ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে টানা তিন জয়ে উড়ছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। মঙ্গলবার চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে তাদের মাটিতে নামিয়ে আনল রূপগঞ্জ। ৪৯.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে তারা।
দলকে জয়ের খুব কাছে রেখে রানআউট হন রূপগঞ্জের অধিনায়ক নাঈম। ৯২ বলে ৮৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে হয়েছেন ম্যাচসেরা। তার ইনিংসে ছিল ৮টি চারের মার।
ক্রাইস্টচার্চের দুঃস্বপ্ন ভুলে ঢাকা লিগে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা টেস্ট দলের খেলোয়াড় মুমিনুল করেন ৫৫। ভারতীয় রিক্রুট ধাওয়ানের ব্যাট থেকে আসে ৫১ রান। এছাড়া মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৩৩ ও শাহরিয়ার নাফীসের ২৫ রানের ইনিংসও রূপগঞ্জের জয়ের পথে রাখে দারুণ ভূমিকা।
মোহামেডান পেসার শফিউল ইসলাম দুটি ও আলাউদ্দিন বাবু নেন একটি করে উইকেট। রূপগঞ্জের তিন ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফেরেন রানআউট হয়ে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আব্দুল মজিদের সেঞ্চুরি ও নাদিফ চৌধুরীর ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৯৫ রান তোলে মোহামেডান।
১২৬ বলে ১০৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হন মোহামেডান ওপেনার মজিদ। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরি পাওয়ার ম্যাচে মারেন ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা।
মাঝপথে নেমে ৪৭ বলে ৬৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে মোহামেডানের সংগ্রহ তিনশর কাছে নিয়ে যান নাদিফ। এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান মারেন ৪টি করে চার ও ছক্কা।
পেসার মোহাম্মদ শহিদ ৩ উইকেট নিলেও রান দেয়ায় ছিলেন খরুচে। ১০ ওভারে দেন ৭০। ধাওয়ান ও মুক্তার আলী নেন একটি করে উইকেট।








