এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি মোটর
সাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন নম্বর সামনে রেখে এগোচ্ছে তদন্ত সংস্থাগুলো। জঙ্গিরাই তাকে হত্যা করেছে, এমন সন্দেহ মাথায় রেখে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ডিবি এবং পিবিআই।
পুলিশের মনোবল ভাঙ্গতেই ওই হত্যাকাণ্ড বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বলছে, এরকম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পুলিশের মনোবল নষ্ট করা যাবে না।
সকালে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে যেখানে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানমকে। ঘটনার পর দফায় দফায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ ও গোয়েন্দারা। তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদ করেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীকে।
এদের একজন পুলিশকে ওই মোটর সাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন নম্বর জানিয়েছে। হত্যাকারী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনার দাবি করেছেন চট্টগ্রামের মেয়র।
ঘটনাকে কাপুরুষোচিত বলেছে পুলিশ হেড কোয়াটার্স। দুপুরে পুলিশের এডিশনাল আইজি মোখলেসুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, দ্রুতই খুনিরা গ্রেফতার হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জঙ্গিরাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। বাবুল সব সময় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। আমাদের ধারণা এ জন্যই তার ওপর এ হামলা হয়েছে। মাত্র অল্প কয়েকদিন হলো সে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পুলিশ হেডকোয়াটার্সে যোগ দিয়েছে। সরাসরি জঙ্গিদের দিকেই সন্দেহের আঙ্গুল তার।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
তিনি বলেন, আমরা জঙ্গি নির্মূলের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছি। আর বাবুলও এ আন্দোলনে সব সময় সামনে থেকেছে। আমার ধারণা পুলিশ বাহিনীতে ভয় দেখাতেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
হত্যাকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করতে পুলিশ ও র্যাবকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।








