শেষ পর্যন্তু মুস্তাফিজুর রহমানের উপর ভর করে প্রথম বারের মতো ফাইনালে এসেই শিরোপা জিতে নিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথমবারের মতো আইপিএল খেলতে গিয়েই বাজিমাত করায় পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমিরা আনন্দে মেতেছেন। উল্লাসের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে পুরো দেশ।
ফাইনালের মঞ্চে ২০৮ রান অনেক বড় টার্গেট হলেও গেইল-কোহলির ব্যাটে তা এক সময় মামুলি বলেই মনে হচ্ছিল। গেইলের ব্যাট যখন খোলা তোলয়ারের মতো বোলারদের শাসন করছিলো ঠিক তখনই বল হাতে ষষ্ঠ ওভারে এসে মুস্তাফিজ খরচ করলেন মাত্র ৪ রান!
প্রথম দুই বলে কোহলি রান নিতে ব্যর্থ হলেও তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক
দেন গেইলকে। প্রথম বলে রান নিতে ব্যর্থ গেইল। পঞ্চম বলে এক রান নিয়ে অাবার
স্ট্রাইকে কোহলি। শেষ বল মিড লেগে ঠেলে দিয়ে কোহলি সংগ্রহ করেন দুই রান।
দশম ওভারে অবশ্য মুস্তাফিজ খরচ করেন ১২ রান। ওভারের প্রথম দ্বিতীয় বলেই চার
ও ছয়ে দশ রান তুলে নেন কোহলি। তৃতীয় বলে এক সিঙ্গেলে স্ট্রাইকিংয়ে আসেন
গেইল। তবে শেষ দুই বলে এক রানের বেশি আর আসেনি।
১৯তম ওভারে মুস্তাফিজ যখন বল হাতে এলেন ১২ বলে থেকে জয়ে জন্য ব্যাঙ্গালুরুর প্রয়োজন মাত্র ৩০ রান। প্রথম বলেই স্টুয়ার্ড বিনিকে রান আউটের ফাঁদে ফেলেন কাটার মাস্টার। আর
দ্বিতীয় বলেই ক্রিস জর্ডানের সহজ ক্যাচ ফেলেন বারিন্দার স্রান। শেষ বলে শচীন বেবি ছক্কা হাকালে ওই ওভার থেকে আসে ১২ রান। বলতে গেলে ওই ওভারেই জয়ের পথ প্রসস্থ হয়ে গিয়েছিলো সানরাইজার্সের।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য গেইল-কোহলিদের প্রয়োজন ছিল ১৮ রান। ভুবনেশ্বরের করা ওভারের প্রথম দুই
বল থেকে আসে ৩ রান। তৃতীয় বলে শচীন বেবি রান আউটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের
পথ ধরেন। চতুর্থ বলে লেগ বাই হলে তা থেকে আসে মাত্র এক রান। শেষ দুই বলে
১৪ রানের অসম্ভব টার্গেট। শেষ পর্যন্ত ৮ রান বাকি থাকতেই থামে রয়্যাল
চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ৩৭ রান খরচ করে তুলে নেন
১ উইকেট।
এ জয়ে আনন্দের জোয়ারে ভাসছে বাংলাদেশের টাইগার ভক্তরা।
মুস্তাফিজ বলেছিলেন, বোলিং নো প্রব্লেম, ব্যাটিং এন্ড ইংলিশ প্রব্লেম। আজ থেকে মুস্তাফিজ বলতে পারেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়াও নো প্রব্লেম।










