মুক্তিযুদ্ধের অনন্য সাক্ষী গণকবরগুলো। সেই গণকবরগুলোই অনেক জায়গায় অনাদরে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। বগুড়ায় এমন একটি গণকবর সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন সেখানকার কিছু মানুষ। ফেসবুকে সেকথাই তুলে ধরলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রেজাউল করিম রয়েল।
ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, নারুলী রেলগেট এলাকায় অবস্থিত গণকবরটি অযত্ন ও অবহেলায় এবং দখলদারদের থাবায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও শহীদ পরিবারের সদস্য রোস্তম আলীর নেতৃত্বে আমিসহ এলাকার উদ্যোমী কিছু মানুষ ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের আন্তরিকতায় দখলদারদের উচ্ছেদ করে গণকবরটি বর্তমান অবস্থায় এসেছে। এ জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ভাষা সৈনিক ডাঃ মকবুল হোসেন ও বগুড়া সদর আসনের এমপি ও বিরোধী দলীয় হুইপ শহীদ পরিবারের সদস্য নূরুল ইসলাম ওমরকে। তাদের অর্থায়ন এবং সহযোগীতা না থাকলে হয়তো সংস্কার সম্ভব হতোনা। যার কথা না বললেই নয় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও এডিশনাল পিপি এ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলাম। যিনি অর্থ সংগ্রহ ও ছাড়করণসহ পুরো সংস্কার কাজটি পরম যত্ন ও মমতায় করিয়ে নিয়েছেন।
এরপরে তিনি লিখেছেন, গণকবর দখলদার উচ্ছেদ অভিযানে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী বন্ধু পলেন, শফিকুল, সাজ্জাদ, চাচা রুমি, রফিকুল, মুকুল, হেলাল, সায়েদ আলী, সাজু, রানা মিয়া, নান্টু, শহীদ পরিবারের সদস্য রাজা, বাবু, এনামুল, ভান্ডারী হাকিমসহ অনেকে। আরও ধন্যবাদ সাংবাদিক নেতা শ্রদ্ধেয় আকতার ভাই, ছোট ভাই সাংবাদিক আব্দুস সালাম বাবু, প্রথম আলো বগুড়া প্রতিনিধি আনোয়ার পারভেজসহ গণমাধ্যমকর্মী বৃন্দকে। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এলাকাবাসী ও শহীদ পরিবারের দাবি এখানে শায়িত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হোক।








