মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে আবারো বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা। রাখাইনে নির্যাতন, হত্যা আর অগ্নিসংযোগের কারণে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাড়ছে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আর আর্ন্তজাতিক সংস্থার চাপের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর প্রকাশ্যে নির্যাতন বেশ কিছু দিন বন্ধ থাকার পর আবারো দমন পীড়ন শুরু করেছে সেদেশের নিরাপত্তা বাহিনী। অনুপ্রবেশকারীরা জানিয়েছেন, রাখাইনের মংডু শহরের পেরাংপুরু, ঢেকিবুনিয়া, চাকমাকাটা, রাইম্মাখালী এলাকায় নতুন করে বাড়ি ঘরে আগুন দেয়ার পাশাপাশি আবারো হত্যাকাণ্ড শুরু করেছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী।
অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়েছে অনেক রোহিঙ্গা। গত এক সপ্তাহে ভেলায় করে এসেছে দেড় হাজারের বেশি।
কক্সবাজারের উখিয়া টেকনাফের ৭ টি ক্যাম্পে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। ২৩টি পয়েন্টে চলছে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ। চলছে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কার্যক্রম। আশ্রয় নেয়াদের ৫০টি মেডিকেল টিমের মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।
রোহিঙ্গা শিশুদের অপুষ্টি ও স্বাস্থ্যহানি থেকে রক্ষা করতে স্বাস্থ্য বিভাগ শুরু করেছে পুষ্টি কার্যক্রম সপ্তাহ। চলবে ২৩শে নভেম্বর পর্যন্ত। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ৭০টি মেডিকেল টিমে কাজ করবে ৫৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক।








