সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত ঘটনায় গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শেখ বলেছেন, মৃত্যুতে মানুষের হাত নেই। মৃত্যু মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এ কারণে মিনা ট্র্যাজেডির জন্য হজ কমিটির প্রধানকে দোষারোপ করা যাবে না। ওই ঘটনার জন্য সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন নায়েফ দোষী নয় বলেও জানিয়েছেন গ্র্যান্ড মুফতি।
এদিকে মিনার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭শ’ ৬৯ জনে। নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭ বাংলাদেশী থাকার কথা জানা গেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ নিহত ৬শ জনের ছবি প্রকাশ করেছে, এর মধ্যে ২ জন বাংলাদেশীও রয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন আরো ৯৮ বাংলাদেশী হাজি।
নিখোঁজদের সন্ধানে মক্কার বাংলাদেশ হজ মিশনের কন্ট্রোল রুমে ভিড় করছেন স্বজন ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা। শনিবার সৌদি আরবের স্বাস্থ্য সন্ত্রণালয় এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও ৫২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের মধ্যে নতুন করে ৩ জন বাংলাদেশীর পরিচয় জানিয়েছেন স্বজনরা। তারা হলেন, দিনাজপুরের বোঁচাগঞ্জের কুরমত আলী, শরীয়তপুরের জাজিরার এমএ রাজ্জাক এবং তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম।
মক্কার বাংলাদেশ হজ মিশনের কন্ট্রোল রুমে নিখোঁজ হাজিদের খবর জানতে ভিড় করছেন স্বজন ও এজেন্সি প্রতিনিধিরা।আহতদের মক্কা ও মিনার বিভিন্ন হাসপাতলে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আর মরদেহ রাখা হয়েছে মক্কার হাসপাতালের হিমঘরে রয়েছে।
এর আগে মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় জন্য সৌদি আরবকে দোষারোপ করেছে ইরানসহ বেশ কয়েকটি দেশ। ইরান দাবি করেছে পদদলিত হয়ে ২ হাজারেরও বেশি নিহত নিহত হয়েছে। নিহতদের সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে সৌদি সরকারকে আহবান জানিয়েছে ইরান।







