শুরুর ধস সামাল দেয়ার সুযোগ পেলেন সৌম্য, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির। ২২ গজে থিতু হয়ে একে একে তাদের সাজঘরে ফেরার দৃশ্য আশাহত করলেও মোহাম্মদ মিঠুন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ব্যাটে ভর করে মাঝারিমানের পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।
নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ইনিংসের ৭ বল আগে ২৩২ রানে অলআউট হয়েছে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল।
পাঁচ নম্বরে নেমে ৬২ রানে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন মিঠুন। আউট হন ইনিংসের ৪৮তম ওভারে। তার ৯০ বলের ইনিংসে বাউন্ডারি পাঁচটি। তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি।
শুরুতে উইকেট হারানোর চাপ নিতে পারেননি লোয়ার মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা। বছর শুরুর ম্যাচে দুইশ করতে পারবে কিনা বাংলাদেশ- তা নিয়েই জেগেছিল শঙ্কা। তবে মিঠুনের ফিফটি ও অষ্টম উইকেট জুটিতে সাইফউদ্দিনের প্রতিরোধে তা সম্ভব হয়েছে।
১৩১ রান তুলতে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ দলকে পথ দেখান মিঠুন ও সাইফউদ্দিন। অষ্টম উইকেটে তারা ৮৪ রান যোগ করলে দুইশ পাড়ি দেয় সফরকারীরা।
অল্পের জন্য ফিফটি পাননি সাইফউদ্দিন। দলীয় ২১৫ রানের মাথায় বাঁহাতি স্পিনার মিশেল স্যান্টেনারের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন এ বাঁহাতি। মিড উইকেটে ক্যাচ দেন মার্টিন গাপটিলের হাতে। তার ৫৮ বলে ৪১ রানের ইনিংসে ছিল তিনটি চারের মার।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ড পেসারদের সামনে প্রথমসারির ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সৌম্য সরকার ছাড়া কেউই নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। দলীয় ফিফটি ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফিরে যান তামিম (৫), লিটন (১), মুশফিক (৫), সৌম্য (৩০)
পাঁচ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় সৌম্য সরকারের ২২ বলে ৩০ রানের ইনিংসটা ছিল দেখার মতো। তবে সম্ভাবনা জাগানো ইনিংসটি বড় করতে পারেননি এ বাঁহাতি।
শুরুর বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব পড়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাব্বির রহমানের কাঁধে। তারা উইকেটে থিতু হতেই সাজঘরে ফিরে যান। দুই ব্যাটসম্যানই আনলাকি থার্টিনে (১৩) কাটা পড়েন।
শুরুর চার উইকেটের মধ্যে ট্রেন্ট বোল্ট ও ম্যাট হেনরি ভাগাভাগি করে নেন দুটি করে। বোল্ট পরে নেন আরও একটি উইকেট। স্যান্টেনার তিনটি ও ফার্গুসন নেন দুটি উইকেট।







