ভিসাসহ অন্যান্য কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও সম্প্রতি কয়েক হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে না পারার ঘটনায় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সেই সাথে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ক্ষতিগ্রস্তদের জমাকৃত টাকা সুদসহ ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি জরিমানা দেয়ার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
এছাড়া এঘটনায় কর্তৃপক্ষের নেয়া পদক্ষেপের বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি তিন মাস পর পর দাখিল করতে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ভিসাসহ অন্যান্য কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও সম্প্রতি কয়েক হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে না পারার ঘটনায় করা রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।
আদালতে শুনানিতে ছিলেন রিটকারি আইনজীবী মো: তানভীর আহমেদ ও বিপ্লব পোদ্দার। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি দাস।
ভিসাসহ অন্যান্য কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও সম্প্রতি উড়োজাহাজের টিকিট না পাওয়ায় কয়েক হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি। এঘটনার পর সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর বিষয়ে কী কী সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।







