বলুন তো বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলার কে? এমন প্রশ্নের উত্তরে হয়তো আপনার মাথায় লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের নাম আসবে। কেউ কেউ নিতে পারেন নেইমারের নামও। কারণ ইউরোপের ফুটবল তো এরাই শাসন করছেন। এমনকি অ্যালেক্সিস সানচেজ ফর্মহীনতায় ভোগা সত্ত্বেও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে সপ্তাহে কামান সাড়ে ৩ লাখ পাউন্ড। অ্যারন র্যামসেকে সপ্তাহে ৪ লাখ পাউন্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর্সেনাল থেকে দলে টেনেছে জুভেন্টাস।
কিন্তু এত বড় বড় নাম ছাপিয়ে লেস্টার সিটির ২০ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ফাইক বলিকাহকে যদি বিশ্বের ধনী ফুটবলার ঘোষণা করা হয় তাতে কী আপনি অবাক হবেন? হোন বা না হোন, আসল সত্যিটা হল ধনী হওয়ার মাপকাঠিতে এই মূহুর্তে ফাইক বলিকাহের আশে-পাশে নেই মেসি-রোনালদোরা!
কত ধনী, কীভাবে ধনী সেটা জানার আগে জানা যাক ফাইকের আসল পরিচয়। বিশ্বের অন্যতম ধনী পরিবারের একটি হল ব্রুনাই দারুস-সালাম শাসনকারী সুলতানের পরিবার। কতটা ধনী এই পরিবার সেটা বোঝা যাবে সুলতানের ভাই যুবরাজ জেফরি বলিকাহর মাসিক খরচ দেখলেই। দামি গাড়ি, ঘড়ি-সোনার কলমের পেছনে মাসে ৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেন এই যুবরাজ! সেই যুবরাজের সন্তান হলেন ফাইক।
লেস্টারের মূল দলে এখনো অভিষেক হয়নি ফাইকের। তবে সাইড বেঞ্চে প্রায় দেখা যায় তাকে। কিন্তু এই বেঞ্চে বসা ফুটবলারটির সম্পত্তির মূল্য ১৫ বিলিয়ন পাউন্ড! এখন পর্যন্ত ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের রোনালদোর সম্পত্তি যার তুলনায় সাগরের কাছে এক ছোট পুকুরের মত!
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে জন্ম হওয়ায় দ্বৈত নাগরিকত্বের অধিকারী ফাইক। সুযোগ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বয়সভিত্তিক জাতীয় দলগুলোতে খেলার। কিন্তু বেছে নিয়েছেন ব্রুনাইকেই। দেশটির হয়ে অনূর্ধ্ব-২১ ও ২৩ দলের হয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে ফাইকের। অভিষেক ম্যাচে পূর্বতিমুরের বিপক্ষে একটি গোলও আছে তার।
২০০৯ সালে সাউদাম্পটন যুব দলের হয়ে ফুটবলে হাতেখড়ি ফাইকের। পরে যোগ দেন আর্সেনাল যুব দলে। ২০১৪ সালে তাকে দলে টানে চেলসি। দুই বছর সাইড বেঞ্চ গরম করার পর ২০১৬ সালে চলে আসেন লেস্টারে। যুব দলের হয়ে খেলার পর মূল দলে অভিষেকের অপেক্ষায় দিন গুণছেন ২০ বছর বয়সী ফুটবলার।







