শাক-সবজি, স্ট্রবেরী ও লিচুর পর প্রাকৃতিক কাইটোসান ব্যবহারে এবার
সাফল্য এসেছে মাছ সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও। এরফলে বন্ধ হবে মাছে ফরমালিনের
ব্যবহার।
বাংলাদেশ এটমিক এনার্জি কমিশনের গবেষকদের দীর্ঘদিনের গবেষণায়
এক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়া গেছে।
খাদ্যপণ্য সংরক্ষণে ফরমালিন ব্যবহারের
করাল গ্রাস থেকে জনসাধারণকে মুক্ত করতে গত বছর সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া
বিভিন্ন কার্যক্রম ক্রমেই স্তিমিত হয়ে পড়ে। সেসময় প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ
হিসেবে চিংড়ির খোসা দিয়ে কাইটোসান তৈরী করে সবার নজরে এসেছিলো বাংলাদেশ
এটমিক এনার্জি কমিশন।
কাইটোসানের ব্যবহার আরো বিস্তৃত করতে গবেষণার মাত্রা
আরো বাড়ানো হয়। নতুন করে সাফল্য এসেছে স্ট্রবেরি, লিচু আর মাছ সংরক্ষণে।
বাংলাদেশ এটমিক এনার্জি কমিশনের মহাপরিচালক মোবারক আহমেদ খান বলেন, ‘এটার ফলে গত বছরের লিচু আমরা এখনো কৌটাজাত করে রাখতে পেরেছি এবং সেটা একই রকম আছে। এছাড়া নরমাল অবস্থায় তিন থেকে চার সপ্তাহ লিচু রাখতে পারি।’
দেশীয়
পণ্য স্বল্প মূল্যের এই প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ কাইটোসান নিয়ে গবেষণায়
সরকারের পক্ষ থেকে অনুদান এসেছে, যা উৎসাহিত করেছে এই গবেষণা কার্যক্রমকে।
মোবারক আহমেদ বলেন, ‘বিশ্বে এখনো এগুলো যে দামে বিক্রি হয়, তার চেয়ে দশগুণ কম দামে আমরা এটা বিক্রি করি। ল্যাবরেটরি ও পাইলট স্কেল থেকে কাইটোসানকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে আনতে এখন সরকারী- বেসরকারী উদ্যোগ প্রয়োজন।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটা দিয়ে সব কিছুকে আমরা প্রিজারভেটিভ করতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস। এজন্য সরকার থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
বিজ্ঞানীদের
কাজ আবিস্কার করা। সেই আবিস্কারকে সবার মঙ্গলের জন্য বাণিজ্যিক উৎপাদনের
মধ্য দিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে আনলেই এই আবিস্কারের সুফল পাবে দেশের মানুষ।






