শামীম আরা নীপা। ২০১৭ সালের মহান একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি। নৃত্যে বিশেষ অবদানের জন্য সরকার তাকে এ মর্যাদাপূর্ণ পদকে মনোনীত করলো। একুশে পদক প্রাপ্তির অনুভুতি ও নাচ নিয়ে তার আগামীর পরিকল্পনা সম্পর্কে কথা বলেছেন চ্যানেল আই অনলাইন পোর্টালের সঙ্গে।
চ্যানেল আই অনলাইন: মহান একুশে পদক প্রাপ্তিতে চ্যানেল আই অনলাইনে পক্ষ থেকে অভিনন্দন।
আপনাকে ও চ্যানেল আই অনলাইনকে ধন্যবাদ।
চ্যানেল আই অনলাইন: রাষ্ট্রীয় মর্যাদাপূর্ণ এ পদক প্রাপ্তির অনুভুতি বলুন।
এটা তো আমার কাজের স্বীকৃতি। ভালো লাগছে তো অবশ্যই। তবে একটু অবাকই হয়েছিলাম। কারণ আমরা তো এখনও কাজের মধ্যেই আছি। ধারণা ছিল শেষ বয়সে এই পুরস্কার দেয়া হয়। কিন্তু এতো তারাতারি পুরস্কার পেয়ে একটু অবাকই হয়েছি। এই পদক আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পদক শুধু আমার একার নয় বরং নাচের সঙ্গে যুক্ত সব মানুষের।
চ্যানেল আই অনলাইন: পদক পাওয়ার পর নিশ্চয় শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন, এ সম্পর্কে বলুন।
তাতো অবশ্যই। বিশেষ করে আমার নাচের ছাত্রীরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছে দিনভর। এছাড়া আত্মীয়-স্বজন আর বন্ধু ও পরিচিতজনেরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আমার এই চারপাশের মানুষের ভালোবাসায় পরিপূর্ণ।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনার নাচের স্কুল নৃত্যাঞ্চলের খবর কি?
নাচ শেখানোর পাশাপাশি নিয়মিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছি ছাত্রীদের নিয়ে। রোববারও একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে নৃত্যাঞ্চল। ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি অনুষ্ঠানে আমাদের প্রযোজনা নৃত্যনাট্য ‘আলীবাবা’র মঞ্চায়ন হবে। একই মাসে যশোরে মঞ্ছস্থ হবে ‘মহুয়া’ নৃত্যনাট্যের। এছাড়া সামনে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে নৃত্যাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পারফর্ম করার কথা রয়েছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: নাচে পেশাদারিত্বের জায়গা কি তৈরী হয়েছে বলে মনে করেন?
আমি মনে করি, নাচে এখন পেশাদারিত্বের জায়গা তৈরী হয়েছে। অনেকেই তা গ্রহণও করেছেন। বিশেষ করে ছেলেমেয়েদের মধ্যে নাচের আগ্রহ তৈরী হওয়ায় এখন স্কুলের সংখ্যাও বেড়েছে। এই নাচের স্কুলগুলোতে এখন নাচের সিনিয়র শিল্পীরা শিক্ষকতা করছেন। এখন নাচের আয়োজনও বেশি হচ্ছে। ফলে পেশা হিসেবে নাচ এখন নেয়াই যায়।
চ্যানেল আই অনলাইন: বিভিন্ন অনুষ্ঠান এখন ফিউশনধর্মী নাচ দেখা যাচ্ছে। এ সম্পর্কে আপনার বক্তব্য কি?
নাচের ফিউশন বিষয়টা রীতিমত দৃষ্টিকটু। নাচের নির্দিষ্ট পোশাক ও সাঁজ রয়েছে। কিন্তু এইসব ফিউশন নাচে তা মানা হয় না। এটি শুদ্ধ নাচের পরিপন্থী।








