একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগরীর ১৫টি আসনে ১৬১ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে ৫২ জনের মনোনয়ন।
ঢাকা-৪ আসনে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণ খেলাপির অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।
ঢাকা-৮ আসনে ২২ জন প্রার্থীর মধ্যে মির্জা আব্বাস, রাশেদ খান মেনন বৈধতা পেয়েছেন।
ঢাকা-১০ আসনে গণফোরাম প্রার্থী খন্দকার ফরিদুল আকবর এর মনোনয়নপত্র বাতিল তবে ওই আসনে বিএনপির ৩ জন প্রার্থীসহ আওয়ামী লীগ এর ফজলে নুর তাপসের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ঢাকা-৬ অাসনে সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেনের প্রার্থিতা প্রথমে বাতিল করা হলেও উপযুক্ত কাগজ জমা দেয়ার পর তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার।
ঋণখেলাপি হওয়ায় ঢাকা ৭ আসনে বিএনপির নাসিমা আক্তারের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এই আসনে ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে বাকিগুলো বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার।
ঢাকা-১৩ আসনে ১২ জনের মধ্যে সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ৩ জন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আসন ঢাকা ১২ আসনে মোট প্রার্থী ৮ জন। এখানে বিএনপির দু’জন প্রার্থীসহ সবার মনোনয়ন বৈধ ঘাষণা করা হয়েছে।
ঢাকা-১৪ আসনে ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনকে বৈধ ঘোষণা করে ৫ জনকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে এস. এ খালেক এর পুত্র সৈয়দ আবু বক্কর সিদ্দিকও রয়েছেন। তবে ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী ফুটবলার আমিনুল হকসহ আরো একজনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ঢাকা-১৫ আসনে মোট প্রার্থী ১৬ জন। এর মধ্যে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ১৩ জনকে বাতিল করা হয়েছে ৩ জনের মনোনয়ন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডাক্তার শফিকুর রহমানসহ ধানের শীষের ৩ জন এই আসনে বৈধ প্রার্থী।
ঢাকা-১৭ আসনে ২৭ জনের মধ্যে ১৪ জন বৈধ ও ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে চিত্র নায়ক ফারুকসহ দু’জনের মনোনয়ন স্থগিত রয়েছে। এই আসনে নাজমুল হুদার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
ঢাকা-১৮’তে ১৫ জনের মধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।









