তিন বছর পর দলে ফিরে এনামুল হক বিজয় শুরুটা করেন বাউন্ডারি মেরে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টাইগার ওপেনার ১৪ বলে চার বাউন্ডারিতে ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ২২ গজে এমন ভয়-ডরহীন থেকে বাংলাদেশর জন্য বিজয়ের নিবেদন দেখে খুশি অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।
‘বিজয় অনেকদিন পর দলে এসে যেভাবে খেলেছে, আমরা ঠিক এটাই চাই। ভয়-ডরহীন ক্রিকেট খেলুক। অবশ্য ওর জায়গা থেকে ইনিংসটা বড় করার সুযোগ ছিল। লক্ষ্যটা বড় ছিল না। আমাদের চাপ ছিল না। তারপরও ও যেভাবে ব্যাটিং করেছে আমরা শতভাগ আগলে রাখব তাকে। ও দেখিয়েছে এখন অনেক ইতিবাচক। আমরা দল থেকে যেটা চাই, সেভাবেই খেলেছে। এই মনোভাবই ম্যাচ জিততে সহায়তা করবে।’
বিজয়ের নামে অপবাদ ছিল তিনি নিজের জন্য খেলেন! সেটি ঘোচাতেই হয়ত মাত্র ১৭১ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমেও ডানহাতি ব্যাটসম্যান মারকুটে ব্যাটিং চালিয়ে ঝুঁকি নিয়েছেন। পরে বাউন্ডারির কাছে ক্যাচ দেন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে। ইনিংস বড় হয়নি। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে রান করে ফেরা বিজয়ের আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা গেছে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাবলীল ব্যাটিংয়েও।
২০১৫ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে কাঁধের ইনজুরির কারণে দল থেকে বাদ পড়েন বিজয়। ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করেও ফেরা যাচ্ছিল না। ফেরার প্রশ্নে তার সবচেয়ে বড় বদনাম ছিল দলের চাহিদা অনুযায়ী আগ্রাসী হতে না পারার বিষয়টি। ওয়ানডেতে ৭০ স্ট্রাইকরেটের বিজয়কে পেছনে ঠেলে ১০০ ছুঁইছুঁই স্ট্রাইকরেটে রান তুলে দলে জায়গা পাকা করে ফেলেন সৌম্য সরকার। খারাপ ফর্মের কারণে ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে নেই এ বাঁহাতি। তবে ভয়-ডরহীন ক্রিকেট খেলায় পারঙ্গম সৌম্য দল থেকে বাদ পড়ার পরও মাশরাফীর প্রশংসা পেয়েছেন।







