ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ভ্যাটিকানকে ঘিরে আবারও শুরু হয়েছে কানাকানি। ২০১২ সালের ব্যাংক কেলেঙ্কারির পর এবার তথ্য ফাঁসের কেলেঙ্কারিতে নতুন করে আলোচনায় পোপের নগর।
সাবেক পোপের সময়ে দুর্নীতির তদন্তে গঠিত কমিশন সদস্যদের বিরুদ্ধেই উঠেছে তথ্য ফাঁসের অভিযোগ। আটক করা হয়েছে ৫ জনকে। এ নিয়ে তদন্ত যতো এগুচ্ছে ততোই প্রকাশিত হচ্ছে যৌনতা ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ।
কেলেঙ্কারির কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন ফ্রান্সেকা শাওকি নামের এক নারী। তথ্য ফাঁসে আটক হওয়া যাজক লুসিও ভালেহো বালদা অভিযোগ করেছেন, ফ্লোরেন্সের একটি হোটেলে থাকার সময় তাকে যৌন উত্তেজিত করে ব্ল্যাকমেইল করেছেন শাওকি। তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পর সেসব ‘টপ সিক্রেট’ তথ্য সাংবাদিক গিয়ানলুইগ নুজি ও আরেক সাংবাদিকের কাছে পাচার করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে তদন্তে ভ্যাটিকানকে সহায়তার প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন ভ্যাটিকানের প্রচার কর্মী শাওকি। তিনি ওই যাজকের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, ‘আমি যদি আমার স্বামীকে ঠকাতেই চাইতাম তারপরও নিশ্চয়ই কোনো বুড়ো যাজকের সঙ্গে রাত কাটাতাম না’।
একের পর এক কেলেঙ্কারির জন্ম দিয়ে যাচ্ছে ভ্যাটিকান। ২০১২ সালের ব্যাংক কেলেঙ্কারি, শিশুকামীতা, যৌন হয়রানির কথা এতোদিন জেনে এসেছে সবাই। সর্বশেষ এই তথ্য ফাঁস ও ব্ল্যামেইলের কেলেঙ্কারি যুক্ত হলো ভ্যাটিকান।






