ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দক্ষিণ, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলের বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রথম দিন বেশিরভাগ মানুষই হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছেন। তবে টিকিট বিক্রির ধীরগতিতে ক্ষোভ আছে তাদের। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে কাউন্টারগুলোতে আগামীকালও পাওয়া যাবে অগ্রিম টিকিট।
ঈদ উপলক্ষে যারা গ্রামের বাড়ি ঈদ উদযাপন করতে যাবেন তাদের এই দীর্ঘ লাইন গাবতলী এলাকার কাউন্টারগুলোর সামনে। চাহিদা একটাই, নির্ধারিত তারিখে পছন্দমতো পরিবহনে চাহিদামতো টিকিট।
সোমবার সকাল ৬টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হলেও আগেরদিন রাত ১০টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন যাত্রীরা। নির্ঘুম রাত কাটিয়ে সকালে টিকিট হাতে পেয়ে দারুন খুশি বেশিরভাগ মানুষ।
ভাড়া নিয়ে তেমন কোনো অভিযোগ না থাকলেও প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ যাত্রীরা টিকিট বিক্রি ধীরগতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লাইন ভেঙ্গে কেউ সামনে যাওয়ার চেষ্টায় কখনো কখনো উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে কাউন্টারের সামনে।
ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস ৪ জুলাই। ওইদিন বিকেল থেকে রাতের টিকিট চাহিদা ছিল সবথেকে বেশি। তবে বৃষ্টিতে মহাসড়কের যানজটের কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রিপের টিকিট না ছাড়ায় সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পরিবহন মালিকরা।
হানিফ পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশারফ হোসেন বলেন, ২ তারিখে লোকের চাহিদা আছে পঞ্চাশ হাজার কিন্তু টিকিট আছে দশ হাজার তাহলে চল্লিশ হাজার টিকিট আমরা কোথায় পাব।
অন্যদিকে শ্যামলী পরিবহনের সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: কবির হোসেন বলেন, আমাদের এখান থেকে প্রায় দু’শটি ট্রিপ যাবে সেক্ষেত্রে পনের থেকে ষোল হাজার লোকের বাড়ির যাওয়ার সকল কার্যক্রম শেষ করবে। কিন্তু সবাই যদি ৪ তারিখে যেতে চাই তাহলে ওই সুযোগ সবাইকে দেয়া যাবে না।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর যারা আগাম টিকিট কিনতে পেরেছেন তাদের আনন্দযাত্রা শুরু হবে ৩০ জুন রাত থেকে।







