সবুজ বনায়ন নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে ভুগর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব বলে করছে বন বিভাগ। সময়ের পরিবর্তনের সাথে বনবিভাগের কাজের সমন্বয় রাখতে এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলছে পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
সোমবার আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে বনবিভাগের আলোচনায় এসব সুপারিশ উঠে আসে।
দেশের মোট আয়তনের মাত্র ১৭ ভাগ বনাঞ্চল। আর এ বনাঞ্চল থেকেই আসে ৭৫ ভাগ পানি। গত ১‘শ বছরে ৪৫ ভাগ বন উজাড় হওয়ায় পানি ব্যবস্থাপনায় দিনে দিনে হুমকির মধ্যে পড়ছে।
এমন বাস্তবতায় ‘করলে রক্ষা সবুজ বন, থাকবে পানি, বাঁচবে জীবন’ শ্লোগানে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বন দিবস। বনরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে র্যালী, সমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ বন বিভাগ। বন রক্ষায় নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলেন, বন থেকে পানি যাচ্ছে, পরে সেটা বাষ্পীভূত হচ্ছে তারপর আবার বনেই ফিরে আসছে। যদি বন না থাকে তাহলে এই চক্রটিই আর থাকবে না। সেখানেই আমাদের মূল সমস্যা। বনাঞ্চল যদি না থাকে তাহলে হয়তো কিছু কাজ শুরু হতে পারে কিন্তু সেটা স্থায়ী হবে না।
মানব সৃষ্ট কোনো সমস্যা যেন দেশের বনভূমিকে হুমকির মধ্যে না ফেলে সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব।
বলেন, এই বন উদ্ধার করার জন্য, দখলমুক্ত করার জন্য দখলদাররা যত প্রশাসনিক ব্যক্তিই হোকনা কেন, আমরা জিরো টলারেন্স দেখাবো।
বন ও হাওর রক্ষায় আরও গবেষণার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।






