ভারতের ইন্দোরে এবার ৪ মাসের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে ইন্দোরের রাজওয়াদা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে।
সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, রাজওয়াদার শিব ভিলাস প্যালেসের নিকটস্থ ফুটপাতে শিশুটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়েছিল। ভোররাত পৌনে ৫টার দিকে কেউ একজন তাকে বাইসাইকেলে করে প্যালেসের দিকে তুলে নিয়ে যায়।
পরে তার বাবা-মা তাকে না পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বেলা সারে ১১টার দিকে একটি ভাস্কর্যের পেছন থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিব ভিলাস প্যালেসের বেজমেন্টের সিরিতে রক্তের দাগ দেখা যায়।
পরে ময়নাতদন্তে শিশুটির শরীরের যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়। আর মাথায় আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে এতে বলা হয়েছে।
পুলিশ এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তি ওই শিশুটির আত্মীয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার রক্তমাখা কাপড় ও সাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরের শহর কাঠুয়ার রাসানা এলাকায় মুসলিম বাকারওয়াল সম্প্রদায়ের আসিফা বানুর ওপর চালানো নৃশংসতার তিন মাস পর উত্তাল হয়ে ওঠে ভারত।
গত বৃহস্পতিবারও উত্তর প্রদেশে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ৯ বছরের এক শিশু। এর আগের দিন একইভাবে ছত্তিশগড়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে ধর্ষিত হয় ১১ বছরের এক কিশোরী।
এপ্রিলের শুরুতেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্য গুজরাটের সুরাট থেকে ১১ বছর বয়সী এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ধর্ষণের পর মেয়েটির শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গসহ ৮৬ জায়গায় জখম করা হয়।
কন্যাশিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন ও যৌন অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান নেয়। তার ইঙ্গিত দিতেই ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ সাজা বা মৃত্যুদণ্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
শনিবার কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা এক অর্ডিন্যান্স বা জরুরি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে পুরনো আইনে পরিবর্তন এনে নতুন এই আইন পাস হয়।









