অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ধাক্কাধাক্কি করার কারণে বিভিন্ন মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন বাংলাদেশ-ভারতের ৫ ক্রিকেটার। তাদের একজন আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী লেগস্পিনার রবি বিষ্ণোয়। তিনি পেয়েছে ৫ সাসপেনশন পয়েন্ট, যা পাঁচটি ডিমেরিট পয়েন্টের সমান। ছেলে এভাবে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে খবরের শিরোনাম হওয়ায় বিস্মিত পরিবার!
রবি নাকি তার বাকি তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে ঠাণ্ডা মেজাজের। সেই ছেলে কীভাবে এতটা আগ্রাসী হয়ে উঠল বুঝে উঠতে পারছেন না তারা বাবা মাঙ্গিলাল বিষ্ণোয়।
‘আমার চার ছেলে-মেয়েদের মধ্যে ও সবচেয়ে শান্ত প্রকৃতির। কীভাবে ও এই কাজ করল সেটাই বোধগম্য হচ্ছে না। রবি অবশ্য আমাদের জানিয়েছে, সতীর্থকে উদ্ধার করতে গিয়েই মেজাজ হারিয়েছে।’
ছেলের এমন কাণ্ডতে হতাশ হয়ে নাকি খাওয়া-দাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন রবির মা, এমনই জানিয়েছেন স্কুল শিক্ষক মাঙ্গিলাল বিষ্ণোয়।
কেবলমাত্র ফাইনালের পরেই নয়, ম্যাচেও একাধিকবার মেজাজ হারিয়ে খিস্তি করতে দেখা গেছে রবিকে। রোববার বাংলাদেশের বিপক্ষে চার উইকেট নেয়া স্পিনারের প্রতিটি উইকেট উদযাপন ছিল আগ্রাসী। এমনকি চোট নিয়ে ব্যাট করতে নামা পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটিংয়ের সময় বাজে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। যা ধরা পড়েছে স্টাম্প মাইক্রোফোনে।
ছাত্রের এমন করাটা মোটেও ঠিক হয়নি বলে মানছেন তার বাল্য কোচ প্রদ্যোত সিং, ‘ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা। মাঠের ভিতরে ওই ধাক্কাধাক্কি কোনোমতেই সমর্থনযোগ্য নয়। শুনেছি বাংলাদেশের বোলাররা খারাপ ভাষা প্রয়োগ করছিল। ভারতীয়দের উইকেট নেয়ার পরে যেভাবে ওরা উৎসব করছিল, তা মানা যায় না। ভারতীয় ক্রিকেটাররাও তেঁতে উঠেছিল। রবিকে আমি ১০ বছর ধরে চিনি। ও মেজাজ হারানোর ছেলে নয়। রবির সঙ্গে এই ব্যাপারে কথা বলেছি। মাঠের ভিতরে এরকম আচরণ ও করবে না বলে জানিয়েছে।’







