ভারতে ৪৭ দিনের নির্বাচনি কর্মকাণ্ড শেষে আজ ভোট গণনা শুরু হয়েছে। বিজেপি নাকি কংগ্রেস, এনডিএ নাকি ইন্ডিয়া জোট- ১৯শে এপ্রিল থেকে পহেলা জুন পর্যন্ত লোকসভা নির্বাচনে কারা বিজয়ী হয়ে নতুন সরকারের দায়িত্ব নিচ্ছেন, সেটা আজ জানা যাবে।
ভারতের পার্লামেন্টে দু’টি কক্ষ রয়েছে – নিম্নকক্ষ (লোকসভা) ও উচ্চকক্ষ (রাজ্যসভা)। লোকসভার ৫৪৩ জন পার্লামেন্ট সদস্যকে বেছে নেওয়ার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একজন করে এমপি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনি বিজয়ী হন।
এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে: ভোটারদের অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে, বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে, তাকে একজন নিবন্ধিত ভোটার হতে হবে, সেইসাথে তাদের একটি বৈধ সরকারি আইডি কার্ডও প্রয়োজন।
পার্লামেন্টে ১৩১টি সংরক্ষিত আসন আছে – ভারতে যেসব গোষ্ঠী সরকারীভাবে সুবিধাবঞ্চিত হিসাবে স্বীকৃত এবং ভারতের জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ; তারাই এই সংরক্ষিত আসনগুলোর প্রতিনিধিত্ব করেন।
ভারত যদিও এক তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য বরাদ্দ করতে একটি আইনও পাস করেছে, তবে এটি কয়েক বছর ধরে কার্যকর হচ্ছে না।
ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভিত্তিক লোকসভা আসন বণ্টন:
উত্তরপ্রদেশ- ৮০ মহারাষ্ট্র- ৪৮ পশ্চিমবঙ্গ- ৪২ বিহার- ৪০ তামিলনাড়ু- ৩৯ মধ্যপ্রদেশ- ২৯ কর্ণাটক- ২৮ গুজরাট- ২৬ অন্ধ্রপ্রদেশ- ২৫ রাজস্থান- ২৫ ওড়িশা- ২১ কেরালা- ২০ তেলেঙ্গানা- ১৭ আসাম- ১৪ ঝাড়খণ্ড- ১৪ পাঞ্জাব- ১৩ ছত্তিশগড়- ১১ হরিয়ানা- ১০ দিল্লি- ৭ জম্মু ও কাশ্মীর- ৫ উত্তরাখণ্ড- ৫ হিমাচল প্রদেশ- ৪ অরুণাচল প্রদেশ- ২ গোয়া- ২ মণিপুর- ২ মেঘালয়- ২ মিজোরাম- ২ ত্রিপুরা- ২ আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ- ১ চণ্ডীগড়- ১ দাদরা ও নগর হাভেলি- ১ দমন ও দিউ- ১ লাদাখ- ১ লাক্ষাদ্বীপ- ১ নাগাল্যান্ড- ১ পন্ডিচেরী- ১ সিকিম- ১
ভারতের ৫৪৩ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২৭২টি আসন।







