আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে চলছে চাঁদপুর-ঢাকা ও চাঁদপুর নারায়নগঞ্জ রুটের বড় লঞ্চগুলো। তবে ছোট লঞ্চগুলোতে নেই কোনও আধুনিক যন্ত্রপাতি।
বৈরি আবহাওয়াতেও লঞ্চ চলাচল বা নিয়ন্ত্রণের জন্যে জিপিএস, বিএসএফ, রাডার, ইকোসাউন্ডারসহ যে সব যন্ত্রপাতি থাকার কথা তা চাঁদপুরের অনেক বড় লঞ্চগুলোতে থাকলেও ছোট লঞ্চগুলোতে না থাকায় ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। এ ছাড়াও অনিয়ন্ত্রিত বালুবাহী বাল্কহেড চলাচলের কারণে চালকরা অনেক সময় লঞ্চ নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারি দপ্তর ও চালকদের সদিচ্ছা থাকলে লঞ্চ দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব।
লঞ্চের এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনিটরিংয়ের জন্যে চাঁদপুরে তিনজন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রয়েছেন। নিয়মিতই তারা বিষয়গুলো মনিটরিং করছেন বলে দাবি করেন।
চাঁদপুর-ঢাকা, চাঁদপুর-নারায়গঞ্জ রুটে চলাচল করে প্রায় পঞ্চশটি লঞ্চ। এসব লঞ্চে মনিটরিং বাড়ালে ভবিষ্যতে নৌ দুর্ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।
উল্লেখ্য চাঁদপুর-ঢাকা রুটে ২৫টি বড় লঞ্চ, দক্ষিণাঞ্চলের ভায়া বড় লঞ্চ ১৬টি। সকল লঞ্চেই এসব গুরুত্বপূর্ণ ইকুয়েপমেন্ট রয়েছে। তবে চাঁদপুর-নারায়নগঞ্জ রুটে ১৫টি ছোট লঞ্চ, এসব লঞ্চের একটিতেও আধুনিক ইকুয়েপমেন্ট নেই।










