যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র সঙ্গে নতুন বাজার নীতিসহ বেশ কিছু বিষয়ে মতের অমিল হওয়ায় ‘বেক্সিট সচিব’ পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ডেভিড ডেভিস।
ধারণা করা হচ্ছে টেরেসা মে’র মন্ত্রিসভায়ও ব্রেক্সিট নিয়ে সিদ্ধান্তের ব্যাপারে নানা মত রয়েছে। সেখানে বেক্সিট পরিকল্পনা শিথিলতা নিয়ে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন ডেভিড। এ কারণে হয়ত পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ডেভিডের পদত্যাগের কিছুক্ষণ পর উপমন্ত্রী স্টেভেন বেকারও পদত্যাগ করেন।
২০১৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে ডেভিড ডেভিসকে ব্রেক্সিট সচিব পদে নিযুক্ত করা হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে সমঝোতা করার জন্য।
পদত্যাগপত্রে টেরেসা মে’কে ডেভিড লিখেন: বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বাজার নীতি দেখে আমার মনে হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক বাজার ত্যাগ করে যুক্তরাজ্যের একক নতুন মুক্তবাজার গঠন করার সম্ভবনা কম।
জবাবে টেরেসা মে বলেন: আমি আপনার প্রস্তাবে এক মত হতে পারলাম না। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদে যুক্তরাজ্যের একক নতুন মুক্তবাজার গঠন বিষয়ে আমরা সবাই একমত হই। আমি খুব দুঃখিত আপনি চলে যাচ্ছেন। কিন্তু বেক্সিট ইস্যুতে আপনি যুক্তরাজ্যের জন্য যে কাজ করেছেন তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি ইইউ পার্লামেন্টে সদস্যদেশগুলো সিদ্ধান্ত নেয়, ২০১৯ সালের ২৯ মার্চের পর থেকে যুক্তরাজ্য ইইউ জোটে তাদের সব অধিকার হারাবে। তবে ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক ইউনিয়ন ও একক বাজারব্যবস্থার সুবিধা নিতে পারবে।







