রাশিয়া বিশ্বকাপ-২০১৮’র ম্যাচগুলো হবে ১২টি স্টেডিয়ামে। চ্যানেল আই অনলাইনের পাঠকদের জন্য ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে স্টেডিয়ামগুলোর পরিচিতি। আজ থাকছে রোস্তভ-অন-দন অ্যারেনার কথা-
মস্কো থেকে ৬৯০ মাইল পাড়ি দিয়ে যেতে হবে রোস্তভ অ্যারেনায় খেলা দেখতে। বেশ জাঁকজমক ভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে স্টেডিয়ামটিকে। ২০১৩ সালে কাজ শুরু হয়, শেষ হয়েছে বিশ্বকাপ শুরুর আগে আগেই।
স্টেডিয়াম পরিচিতি: লুঝনিকি, স্পার্টাক, নভগোরোদ, সারানস্ক, কাজান, সামারা, একাটেরিনবার্গ, পিটার্সবার্গ, কালিনিনগ্রাদ,
ভলগোগ্রাদ
দন নদীর পাশে অবস্থিত রোস্তভ অ্যারেনাকে গড়ে তোলা হয়েছে ভবিষ্যতের এক শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে। বিশ্বকাপ শেষে মাঠটি তুলে দেয়া হবে এফসি রোস্তভের হাতে।
২০১৪ সালে রাশিয়ার ঘরোয়া লিগ জিতেছিল এফসি রোস্তভ। বিশ্বকাপের পর হাত বদলে ক্লাবের কাছে গেলে আসন সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ২৫ হাজারে। বিশ্বকাপের জন্য যেটি ৩৮ হাজারের ওপর তুলতে নতুন নকশায় কাজ করতে হয়েছে।
সবার আগে রাশিয়ার টিকিট পাওয়া ব্রাজিল নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে এই মাঠে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেইমার-কৌতিনহোদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।
এক নজরে-
রোস্তভ-অন-দন অ্যারেনা
ধারণ ক্ষমতা: ৪৫ হাজার
উদ্বোধন: ২০১৮ সালে
বিশ্বকাপে ম্যাচ হবে: ৫টি
উল্লেখযোগ্য ম্যাচ: ব্রাজিল-সুইজারল্যান্ড








