রাঁচি টেস্টের প্রথম ইনিংসে অপরাজেয় ১৭৮ রান করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান কাপ্তান স্টিভেন স্মিথ। তার ইনিংসের জবাবে ভারতীয় দলপতি বিরাট কোহলির কাছ থেকে হয়তো একটি ক্যাপ্টেন্স নক আশা করেছিলেন অনেকেই। তাদের স্বপ্নে জল ঢেলে দিয়ে আবারও ব্যর্থ কোহলি। কিন্তু অধিনায়ক না পারলেও ভারতকে ম্যাচে ধরে রেখেছেন চেতেশ্বর পূজারা। ১৩০ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে অপরাজিত আছেন। এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের কাঁধে ভর করে তৃতীয় দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ভারতের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৬০ রান।
আগের দিনের ১ উইকেটে ১২০ রান নিয়ে মাঠে এসেছিল স্বাগতিকরা। সকালটাও দারুণ কাটল দুই অপরাজিত পূজারা-বিজয়ে। দুজনে ১০২ রান যোগ করেন। ও’কিফের বলে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েছেন বিজয় (৮২)।
লাঞ্চের পর ক্রিজে এসে চলতি সিরিজে ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করেছেন কোহলি। ৬ রানে প্যাট কামিন্সের বলে স্লিপে স্মিথের হাতে ধরা পড়েছেন। দ্রুত সেই পথে হেঁটেছেন রাহানে (১৪) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ত্রিশতক হাঁকানো করুন নায়ার (২৩)।
তবে ঠিক সময়ে জ্বলে উঠেছেন পূজারা। ক্যারিয়ারের দশম শতক পূর্ণ করেছেন। দারুণ এক মাইলফলকেও পা দিয়েছেন। এক মৌসুমে ভারতীয়দের হয়ে ৭টি টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। দুই কিংবদন্তি নবাব আলি খান পাতৌদি এবং সুনীল গাভাস্কারের পাশে বসেছেন এদিয়ে। পূজারার ওপরে আছেন কেবল ভিভিএস লক্ষণ, তার শতক ৮টি।
ছয় বছর পর সাদা পোশাকে ফিরে আগুন ঝরিয়েছেন অজি পেসার কামিন্স। অথচ এই টেস্টে খেলার কথাই ছিল না তার। মিচেল স্টার্কের চোটে কপাল খুলেছে। ভারতীয়দের ৬ উইকেটের ৪টিই গেছে তার ঝুলিতে। বাকি দুটি ও’কিফ এবং হ্যাজেলউডের।
চতুর্থ দিনে ৯১ রানে পিছিয়ে থেকে শুরু করবেন দুই অপরাজিত পূজারা এবং ঋদ্ধিমান সাহা (১৮)।










