শরিফুল-ইবাদতরা মাউন্ট মঙ্গানুইতে ছিলেন আগুনে মেজাজে। একটার পর একটা তোপ দেগেছেন। ক্রাইস্টচার্চেও তাদের দিকে থাকবে চোখ। যদি স্বরূপে জ্বলেন তারা, পিছিয়ে থাকবেন না স্বাগতিকরাও। পেস সহায়ক উইকেটে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার রেকর্ড অহরহ বোল্ট-সাউদিদের। রাসেল ডমিঙ্গো অবশ্য আশাবাদীর দলেই। কোচ বলছেন, কিউইরা সুবিধা পেলে পিছিয়ে থাকবেন না টাইগাররাও।
হ্যাগলি ওভালে রোববার শুরু হতে চলা টেস্টে টস খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন টাইগারদের প্রধান কোচ। পেস বোলিং সহায়ক উইকেটে শুরুতে বোলিং করতে পারলে স্বাগতিকদের ভালোভাবে ঘায়েল করতে পারবেন ইবাদতরা।
‘এখনও পিচ দেখিনি। ডানেডিন, ওয়েলিংটন ও হ্যামিল্টনে গেলেও ক্রাইস্টচার্চে টেস্টের জন্য আমার আসা হয়নি আগে। এই উইকেটে পেসাররা অনেকবেশি সুবিধা পায়। আমাদেরও সুবিধা দিবে।’
পেস সহায়ক উইকেটে বোল্ট-সাউদি-জেমিসনরা সহায়তা পেলে বাংলাদেশের পেসাররাও সুবিধা নেবেন, মনে করিয়ে দিলেন ডমিঙ্গো। ইবাদত-তাসকিনদের বোলিং নিয়ে আত্মবিশ্বাসী কোচ।
‘আমাদের ক’জন মানসম্পন্ন পেসার আছে। খুব কম সময়ে ঘাসের উইকেটে সুবিধা নেয়ার কথা ভাববে বাংলাদেশ। আমাদের তিন পেসার অনেক উঁচু মানের, তারা আত্মবিশ্বাসী। শুরুতে কয়েকটি উইকেট তুলতে পারলে আশা করি তাদের ঘায়েল করতে পারব।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে বাঁচানোর ম্যাচে আবার টসের খুব একটা ভূমিকা দেখছেন না টম ল্যাথাম। কিউই অধিনায়ক মনে করেন ম্যাচ জয়ের ভাগ্য এখন টসে হার-জিতের উপর নির্ভর করে না। তবে টাইগার কোচ মনে করেন, ক্রাইস্টচার্চে টসের গুরুত্ব অনেক।
‘আমি মনে করি, ক্রাইস্টচার্চে টস অনেক গুরুত্বপূর্ণ হবে। এখানে গত ১০ ম্যাচে আগে ব্যাট করা দল জিতেছে মাত্র একটি ম্যাচ। প্রথম ইনিংসে গড়ে ২৬০-২৭০ রান হয়। নতুন বল ব্যবহারের জন্য প্রথমদিন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নিউজিল্যান্ড টস জিতলে বোলিং করতে চাইবে, আমরাও চাইব। এখানে টস অনেক গুরুত্বপূর্ণ হবে।’








