পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা তৈরির জন্য বেয়ার গ্রিলসের সঙ্গে ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’র বিশেষ পর্বে হাজির হচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রোমহর্ষক এই অভিযানে মোদিকে দেখা যাবে সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে। বেয়ার গ্রিলসের সঙ্গে তিনি গভীর জঙ্গলে ঘুরছেন, নদী সাঁতরে কূলে উঠছেন-এমন কিছু দৃশ্য থাকবে এই বিশেষ পর্বে।
আর এমন তথ্য জানিয়েছেন বেয়ার গ্রিলস নিজেই। এক টুইটে তিনি বলেছেন, ‘আগমী ১২ আগস্ট রাত ৯টায় ডিসকভারি ইন্ডিয়ায় প্রচাতির হতে যাওয়া বন্যাপ্রাণী সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা বিষয়ক শো ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’ এর পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অজানা দিক’ দেখতে পাবেন দর্শকরা।
বিশ্বের ১৮০টি দেশের দর্শকরা নরেন্দ্র মোদির অজানা দিক, প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিবর্তন ও বন্যাপ্রাণী সংরক্ষণের এ বিশেষ পর্বটি দেখতে পারবেন।
মোদিকে উদ্ধৃত করে ডিসকভারি চ্যানেলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের সমৃদ্ধ বিশ্ব ঐতিহ্য এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব দিতে এই শোটি তার জন্য দারুণ এক সুযোগ।

“বহু বছর ধরে আমি প্রকৃতি, পাহাড় ও বনাঞ্চলে বাস করেছি। ওই বছরগুলি আমার জীবনে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে। সুতরাং আমাকে যখন রাজনীতির বাইরের প্রকৃতির জীবন কেন্দ্রিক একটি বিশেষ প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার কথা জিজ্ঞেস করা হলো, আমি বেশ আগ্রহী হয়েছি। আমার জন্য বিশ্বের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জীবনযাপনের গুরুত্ব সম্পর্কে উপস্থাপন করার দুর্দান্ত সুযোগ এটি। এই শোকে কেন্দ্র করে জঙ্গলে আবারও সময় কাটানোর দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা ছিলো। তাও আবার অদম্য প্রাণশক্তি সম্পন্ন ও প্রকৃতির অভিজ্ঞতায় ধন্য বেয়ার গ্রিলসের সঙ্গে’’ বলেন মোদি।
চলতি বছরের মার্চে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলার দিন বেয়ার গ্রিলস উত্তরাখণ্ডের ধিকালায় জিম কার্বেট টাইগার রিজার্ভে এ ছিলেন। সেদিন উত্তরাখণ্ড বন বিভাগ বিশ্রামাগারের সকল পর্যটক বুকিং বাতিল করে। কেননা তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেখানে ছিলেন।
গ্রিলস ভারতে আসার আগে কয়েকটি টুইট পোস্ট করেছিলেন, যা পরবর্তীতে মুছে ফেলা হয়েছিলো। সেসব পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘এবং এটি ভারতের জন্য একটি দুর্দান্ত দিন। ‘খুব স্পেশাল’ কিছু শুট করার জন্য সেখানে আসছি।’
ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ গ্রিলস ভারতে আসার সময় ফ্লাইটে একটি সেলফি পোস্ট করেও লিখেন যে, ‘আমি যে দেশকে ভালোবাসি, সে দেশে একটি অ্যাডভেঞ্চারের জন্য যাচ্ছি’। অবশ্য পরবর্তীতে সেটিও মুছে ফেলা হয়েছিলো।










