বেঙ্গালুরু আর পুনের দূরত্ব ভারতীয়দের কাছে ক্রিকেটীয় আলাপে এক হয়ে গেল। সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংস থেকে ধুঁকতে শুরু করেছিল কোহলির দল। দ্বিতীয় টেস্টেও একই চিত্র।
শনিবার বল হাতে লায়নের জ্বলে ওঠার দিনে বিবর্ণ থেকেছেন অশ্বিনরা। ১৮৯ রানে প্রথম ইনিংসে অলআউট হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ান কোনো ব্যাটসম্যানকে আউট করতে পারেনি স্বাগতিক বোলাররা। অজিরা দিন শেষে করেছে ৪০ রানে। ডেভিড ওয়ার্নার ২৩ এবং ম্যাট রেনশো ১৫ রানে অপরাজিত আছেন। ভারত পুনেতে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছিল ১০৫ রানে। শেষ পর্যন্ত ওই ম্যাচ তারা ৩৩৩ রানে হেরে যায়।
নাথান লায়ন এদিন একাই নিয়েছেন আট উইকেট। ভারতের মাটিতে সফরকারী কোনো বোলারের এটাই সেরা বোলিং। এর আগে ১৯৯৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ল্যান্স ক্লুজনার ৮ উইকেট নিতে খরচ করেছিলেন ৬৪ রান। লায়ন দিয়েছেন ৫০।
ভারত এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইনজুরির কারণে ছিটকে পড়া মুরালি বিজয়ের পরিবর্তে ওপেন করতে নামেন অভিনব মুকন্দ। মুকন্দ যখন দল থেকে বাদ পড়েন তারপর ভারত ৫৬টি টেস্ট খেলে ফেলেছে। এতদিন বাদে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাট হাতে নেমে বেশ নড়বড়ে ছিলেন। স্টার্কের হাত থেকে উড়ে আসা এক ফুলটসে এলবিডব্লিউ হন। ক্রিকেটের ভাষায় নামের পাশে তখন ‘ডাক’।
স্টার্ক এক উইকেট পেলেও গতিতে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্ত করে গেছেন। কোহলির (১২) মতো ক্ল্যাসিক ব্যাটসম্যানও তাকে জবুথবু হয়ে ডিফেন্স করছিলেন। ১৫ ওভার বল করে রান দিয়েছেন ৩৯। মেডেন পাঁচটি।
প্রথম টেস্টের নায়ক স্টিভ ও’কিফও কম যান না। ২১ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪০ রান খরচ করে একজনকে ফিরিয়েছেন।
ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে লোকেশ রাহুল শুধুমাত্র ব্যতিক্রম। ২০৫ বল খেলে ৯০ রান করেন। অন্যদের মধ্যে করুন নায়ার সর্বোচ্চ ২৬ করেন। শেষ পাঁচজনের কেউ সাতের বেশি করতে পারেননি।
বল করতে নেমে অশ্বিন, ইশান্ত শর্মা খুব একটা সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। শর্মা ৫ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৮ রান দিয়েছেন। ৪ ওভারে ১৬ খরচ করেছেন উমেশ যাদব। অশ্বিন ৬ ওভারে দিয়েছেন ১১।







