দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-২ করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। বেলজিয়ামের ক্লাব ব্রুগের মতো অখ্যাত দলের কাছে হারতে হারতে ড্র করেছে জিনেদিন জিদানের দল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মৌসুমের প্রথম ম্যাচে পিএসজির কাছে ৩-০ গোলে হেরেছিল রিয়াল। লা লিগায় শীর্ষে থাকলেও ইউরোপ সেরার মঞ্চে এখনো সাদামাটা এডেন হ্যাজার্ডরা।
প্রথম দুই ম্যাচে এক হার ও এক ড্রতে এক পয়েন্ট পেয়েছে রিয়াল। ১৭ বছরের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি তাদের সবচেয়ে বাজে শুরু। ২০০২-০৩ মৌসুমে প্রথম ম্যাচে এসি মিলানের কাছে হারের পর লোকোমটিভ মস্কোর সঙ্গে ড্র করেছিল রিয়াল।
বিরতির সময় প্রথম পছন্দের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়াকে তুলে নিতে হয় রিয়ালকে। ম্যাচ শেষে আরও খারাপ খবর দেন নাচো। অন্তত আড়াই মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেছেন তিনি।
৩৯ মিনিটের মধ্যে ২টি গোল করেন ইমানুয়েল ভেনচুরা ডেনিস। ৫৫ মিনিটে রামোস একটি গোল শোধ করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে রিয়াল মাদ্রিদকে সমতায় ফেরান কাসেমিরো। ২-২ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।
ম্যাচে রিয়ালের গোল মিসের মহড়া দেখা গেছে। হারতেই বসেছিল তারা। ডেনিস হ্যাটট্রিকের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন। কোর্তোয়ার ভুলগুলো ছিল শিশুসুলভ। যা নিয়ে এরইমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরে অবশ্য চোট নিয়ে রিয়াল গোলরক্ষক কোর্তোয়া উঠে যান।
ডেনিস রিয়ালের বদলি গোলরক্ষক আরেওলাকে একা পেয়েছিলেন। তবে গোল করতে সক্ষম হননি। অবশেষে কাসেমিরো দারুণ হেডে গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে বাঁচান।
কোর্তেয়ার ভুলে প্রথম গোল হজমকে হাস্যকর বলেছেন জিদান। আর অধিনায়ক রামোস বলেছেন, অনেককিছু করতে হবে রিয়ালকে। তবে এই পারফরম্যান্সের জন্য অনুতপ্ত নন কাসেমিরো। বলেছেন, কারো কাছেই রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষমা চাওয়া উচিত নয়।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পরের ম্যাচে রিয়ালের প্রতিপক্ষ তুর্কি ক্লাব গ্যালাতাসারে। ২২ অক্টোবর অলিখিত সেই ফাইনালের চারদিন আগে অবশ্য বার্সেলোনার বিপক্ষে ‘এল ক্ল্যাসিকো’র পরীক্ষায় বসতে হবে জিদানের দলকে।







