ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তথা বিসিসিআইয়ের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর(সিওএ)। কেবলমাত্র নির্বাচক প্যানেল ও উপদেষ্টা কমিটি ছাড়া বোর্ডের বাকি সব উপ-কমিটির নিয়ন্ত্রণও চলে গেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের লোধা কমিশনের সুপারিশ করা এই নিয়ন্ত্রক কমিটির হাতে।
বিসিসিআইয়ের সর্বময় ক্ষমতা এখন থাকছে সিওএ চেয়ারম্যান ও ভারতের সাবেক প্রধান নিরীক্ষক বিনোদ রাইয়ের হাতে। হ্রাস করা হয়েছে বোর্ডটির তিন ক্ষমতাবান কর্তা সিকে খান্না(ভারপ্রাপ্ত সভাপতি), অমিতাভ চৌধুরী(ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক) ও অনিরুদ্ধ চৌধুরীর(কোষাধ্যক্ষ) ক্ষমতা। এখন থেকে যেকোনো প্রকার সিদ্ধান্ত নিতে কিংবা বোর্ডের কাজে কোথাও যেতে হলে সিওএয়ের অনুমোদন লাগবে তাদের।
বোর্ডের পুরনো সংবিধান বাতিল করে ২১ আগস্ট নতুন সংবিধান অনুমোদন করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। নতুন সংবিধান নিয়ে বোর্ডের কাজ ঠিক করে দিয়েছেন বিনোদ রাই ও সিওএয়ের সদস্য এবং ভারত নারী দলের সাবেক অধিনায়ক ডায়ানা এডুলজি। বোর্ডের নিত্যনৈমিত্তিক কার্য পরিচালনার ভার থাকবে প্রধান নির্বাহী রাহুল জোহরের হাতে। নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত এতটুকু কাজের ক্ষমতা থাকছে তার।
নতুন সংবিধান অনুসারে বিসিসিআই পরিচালনার ভার থাকছে নয় সদস্যকে নিয়ে গড়া অ্যাপেক্স কাউন্সিলের হাতে। এই নয় সদস্য অ্যাপেক্স কাউন্সিল পরিচালনার পাশাপাশি বিসিসিআইয়ের পাঁচ কার্য-শাখার প্রধানও ঠিক করবেন। বিসিসিআই থেকে একজন সদস্য, প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে একজন করে নারী ও পুরুষ সদস্যসহ মোট দুইজন, হিসাবাধ্যক্ষ থেকে একজন এবং নিরীক্ষক জেনারেল প্রতিষ্ঠান থেকে আরেকজনকে নিয়ে ঠিক করা হবে পাঁচ কার্য-শাখার প্রধান। নতুন নির্বাচন হওয়ার আগ পর্যন্ত আইপিএল পরিচালনা বিভাগের নিয়ন্ত্রণও থাকবে অ্যাপেক্স কমিটির হাতে।
কেবলমাত্র খেলোয়াড়দের নির্বাচন প্যানেল ও উপদেষ্টা কমিটিকে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা দিচ্ছে সিওএ। নির্বাচন প্যানেলে থাকবেন পাঁচজন নির্বাচক। শচীন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলি ও ভিভিএস লক্ষ্মণকে নিয়ে গড়া উপদেষ্টা কমিটি চাইলে নিজেদের প্রয়োজনে উপ-কমিটিও গড়তে পারবেন।







