বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে দেখভালের দায়িত্বে থাকা নাজমুল আবেদীন ফাহিম আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবির চাকরি থেকে বিদায় নিলেন। সোমবার ছিল তার শেষ কর্মদিবস।
চলতি মাসের শুরুতে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন সাকিব-মুশফিকদের গুরু, সবার প্রিয় ‘ফাহিম স্যার’। থেকে যাওয়ার অনুরোধ আসা সত্ত্বেও নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে বিসিবির সঙ্গে ১৪ বছরের সম্পর্কের ইতি টানলেন নানা পরিচয়ে পরিচিত এই গুণী মানুষটি।
বিসিবি অফিসে শেষ দিনটিও কর্মব্যস্ততায় পার করেছেন নাজমুল আবেদীন। চেষ্টা করেছেন হাসিখুশি থাকার। বিকেল গড়াতেই শুরু হয় তার বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা। বিসিবি কার্যালয়ে নামতে শুরু করে পিনপতন নীরবতা।
বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক হন সভাকক্ষে। মাঝের চেয়ারটায় বসানো হয় একাধারে কোচ, বিশ্লেষক, সংগঠক, ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ মানুষটিকে। সামনে রাখা হয় কেক, ফুলের তোড়া। তুলে দেয়া হয় একটি স্মারক।
বিদায়বেলায় অবশ্য আবেগ স্পর্শ করতে পারেনি নাজমুল আবেদীনকে। তবে মুখাবয়ব ভারী হয়ে উঠেছিল তার। অভিমান থেকেই যে সরে যেতে হয়েছে তাকে!
সকালে ফেসবুকে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে নাজমুল আবেদীন শিরোনামে লিখেছেন- ‘বিসিবি অফিসে আজ আমার শেষদিন।’
বিকেএসপির সাবেক কোচ নাজমুল আবেদীন বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। সাকিব-মুশফিক-তামিম-মুমিনুল-সৌম্যরা খারাপ সময়ে তার শরণাপন্ন হন। ক্রিকেটারদের নিয়ে ইনডোরে প্রায়ই অনুশীলন সেশন করেছেন। তাতে উপকৃত হয়েছেন দেশের তারকা ক্রিকেটাররা। গত দুই বছর বোর্ডের নারী বিভাগের সঙ্গে কাজ করছেন। সেখানেও সফল তিনি। গত বছর এশিয়া কাপ জিতেছে টিম টাইগ্রেস।
নাজমুল আবেদীন শুরুতে ছিলেন কিউরেটর। ২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচের উইকেট তৈরি হয়েছিল তার অধীনেই।









