চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা, বাকি বিশ্ব ও আমরা

সাইফুল্লাহ সাদেকসাইফুল্লাহ সাদেক
৪:৫২ অপরাহ্ণ ৩০, মার্চ ২০২০
মতামত
A A

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস নিয়ে সর্বপ্রথম যে নির্দেশনা দেয় তা ছিল এমন – করোনাভাইরাসকে খুবই সিরিয়াসলি গ্রহণ করো এবং দ্রুত পদক্ষেপ শুরু করো।

একই সঙ্গে নির্দেশনা ছিল – পরীক্ষা, পরীক্ষা এবং পরীক্ষা করাও।

‘সেই পরীক্ষা হতে হবে খুবই সহজলভ্য এবং কম সময়ের ভেতরেই‘- ঠিক এভাবেই জোর দিয়ে  কড়া নির্দেশনা ছিলো বৈশ্বিক সংস্থাটির‘-

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরের নির্দেশনা ছিল – শনাক্ত করো, বিচ্ছিন্ন করো, কোয়ারেন্টিন করো, আইসোলেশন করো।

এরপর আরও নির্দেশনা ছিল – সোসাল ডিসটেনসিং বা সামাজিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি করো, মানুষ থেকে মানুষকে দূরে রাখো।

সংস্থাটি এটাও সতর্ক করে বলেছে যে, শুধু লকডাউনই এই রোগ থেকে বাঁচার উপায় নয়। সন্দেহভাজনদের পরীক্ষা পরীক্ষা এবং পরীক্ষা অবশ্যই করাতে হবে।

Reneta

তারপর জোর দিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে, কর্তৃপক্ষকে জনগণের মাঝে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সরবরাহ করতে হবে। এটি সবার আগে প্রয়োজন। কোনো লুকোচুরি করা যাবে না। যেন জনগণ কর্তৃপক্ষের কাজে বিশ্বাস রাখে এবং তা মেনে চলে। কেননা, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এই মহামারী থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো সুযাগ নেই।

এভাবেই প্রত্যেকটি নির্দেশনা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্পষ্টভাবেই দিয়েছে এবং দিয়ে যাচ্ছে আজ অবধি।

এখন আসি কোন দেশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সকল নির্দেশনা মেনে চলেছে এবং কি ফল পেয়েছে এবং কোন দেশ মানতে ব্যর্থ হয়েছে এবং কি ফল পেয়েছে, সে বিষয়ে কিছু তথ্য ও পরিসংখ্যান জেনে নিই।

প্রথমে আসা যাক সাউথ কোরিয়ার কথায়। দেশটি শুরু থেকেই কোভিড-১৯ থেকে দেশ ও মানুষকে বাঁচানোর জন্য যথাযথভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ মেনে চলেছে। শুরু থেকেই এমনভাবে কাজ করেছে, যা একেবারে ত্রুটিহীন ও নির্ভুল।

শুরুতেই দেশটির সরকার স্বীকার করে নিয়েছে যে, করোনা এসে গেছে দেশে। এভাবে সঠিক তথ্য সরবরাহ করে দেশের মানুষকে সচেতন করেছে। তারপর শুরু করে পরীক্ষা।

অতি শিগগিরই দিনে ২০ হাজার মানুষকে পরীক্ষা করানোর মতো যোগ্যতা অর্জন করে ফেলে সাউথ কোরিয়া। একজন রোগীকে মাত্র ৫ মিনিটে পরীক্ষার ফলাফল হাতে দিয়েছে তারা। কয়েকদিনের মধ্যে ২ লাখ ৯০ হাজার মানুষকে পরীক্ষা করার মাধ্যমে আক্রান্তদের দ্রুত আলাদা করে ফেলে। নিশ্চিত করে কোয়ারেন্টিন কিংবা আইসোলেশন।

পরীক্ষাসহ সবকিছু এতো সহজলভ্য ছিল, যা অবিশ্বাস্য রকমের সত্য। করোনা পরীক্ষার জন্য তারা কোনো অর্থই রাখেনি। দেশটি তথ্যপ্রযুক্তিকে এমনভাবে কাজে লাগিয়েছে যে, করোনায় আক্রান্ত কে কোথায় যাচ্ছে, থাকছে সবকিছুই ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসে তদারকি করছে কর্তৃপক্ষ, শনাক্ত করছে তার স্থান। ফলে কেউ কোথাও নিজ ইচ্ছা মতো মুভ করতে পারেনি। যদিও তারা দেশকে ডিজিটাল দেশ বলে গলা ফাটায় না, কিন্তু তারা ডিজিটালেরই জন্মদাতা।

বিমানবন্দরে বাহির থেকে যে-ই আসুক পরীক্ষা করে দেশে প্রবেশ করিয়েছে সাউথ কোরিয়া। সন্দেহ হলেই নিয়ে গেছে রাষ্ট্রীয় কোয়ারেন্টিনে। অর্থের বিনিময়ে কেউ বিমানবন্দর ছাড়তে পারেনি। সকল ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সততার সঙ্গে সবকিছু মোকাবেলা করেছে।

এভাবে তারা দেশকে করোনার ভয়াবহতা থেকে বাঁচাতে পেরেছে। এটি করার ফলে তাদেরকে দেশের সব মানুষকে বাড়িতে বাধ্যতামূলক ঢুকাতে হয়নি বেশিদিন। যারা আক্রান্ত তারাই বাড়িতে বন্দি থেকেছে বা রাষ্ট্রীয় কোয়ারেন্টিন মেনে চলেছে। আর সুস্থদের কোনো কষ্ট করতে হয়নি তেমন একটা।

সকল সুন্দর ব্যবস্থার কারণেই সাউথ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৬৬১ মানুষ। আর মৃত্যু ১৫৮ জনের মাত্র। আক্রান্তদের শুরু থেকেই শনাক্ত করার ফলেই দেশটিতে কোভিড-১৯ মহামারীর ভয়াবহ আঘাত থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকতে পেরেছে। আর দারুণ ব্যবস্থাপনা ও পদক্ষেপের ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রশংসা পেয়েছে সাউথ কোরিয়া।

একইভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে হংকং, তাইওয়ান ও সিঙ্গাপুর। ফলে তারা চীনের খুব নিকটবর্তী হয়েও কোভিড-১৯ থেকে বেঁচে গেছে।

চীনে কোডিভ-১৯ ছড়িয়ে পড়ার মাত্র ৩ দিনের মাথায় তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, হংকং তাদের বিমানবন্দরগুলোতে থার্মাল স্ক্যানার বসায় এবং দ্রুত পরীক্ষা করাতে শুরু করে। সন্দেহজনক হলেই রাষ্ট্রীয়ভাবে কোয়ারেন্টিন কিংবা বাধ্যতামূলক হোম-কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়ে দিতে শুরু করে তারা। ফলে চীনের অধীনের রাষ্ট্র হয়েও হংকং এ আক্রান্ত মাত্র ৬৪২ জন এবং মৃত্যু মাত্র ৪ জনের। তাইওয়ান চীনের এতো কাছে হয়েও আক্রান্ত হয়েছে মাত্র ২৮৯ জন। আর মারা গেছে মাত্র ১ জন। সিঙ্গাপুরের চিত্রও একই রকম। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৮৪৪ জন। মারা গেছে মাত্র ৩ জন।

দেশগুলোর কোনো জনগণ কোয়ারেন্টিন ফাঁকি দেয়নি। ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে চুরি করে কেউ পালায়নি। কিংবা যাদুঘরের আজব প্রাণী দেখার মতো কোয়ারেন্টিন দেখতে লোকজন ভিড় করেনি।

এসব দেশের ব্যবস্থাপনা ও পদক্ষেপ এতোটাই উন্নত ছিলো যে, তাদের থেকে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান করেছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সব রকম নির্দেশনা মেনে কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবিলায়  দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে নিউজিল্যান্ডও। শুরুতেই দেশটি ঘোষণা করে দেয়, দেশে যে-ই প্রবেশ করবে তাকে যেতে হবে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে। কোনো অজুহাত নেই, ক্ষমা নেই। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সরাসরি এই ঘোষণা দিয়ে কড়া নির্দেশনা জারি করে ফেলেন শুরুতেই! ফলে নিউজিল্যান্ডে মাত্র ৫৮৯ জন কোভিডে আক্রান্ত হয় এবং মারা গেছে মাত্র ১ জন!

কিছুটা দেরিতে হলেও একইরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করে কানাডা। স্মার্ট প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ঘোষণা দেন, ঘরে থাকতে হবে এক মাস। এক মাসের জন্য সকল কিছু রাষ্ট্র বহন করবে। ঘর ভাড়া থেকে শুরু করে সব, সব। যাদের অফিস আছে তারা বেতন পাবেন এবং বোনাস সহ। ওষুধ, পানি, খাবার আমরা পৌঁছে দিবো। আপনারা ঘরে থাকেন“।এর ফলে কানাডাও অনেকটা বেঁচে গেছে কোভিড-১৯ এর আঘাত থেকে। দেশটিতে ৬ হাজার ৩২০ জন আক্রান্ত আর মারা গেছে মাত্র ৬০ জন।

চীনের উহানে কোভিড-১৯ আঘাত আনার পর ইউরোপীয় ও আমেরিকানরা সেটাকে ‘চাইনিজ ভাইরাস‘ বলে হেয় প্রতিপন্ন করেছে। পদক্ষেপ গ্রহণে বড্ড দেরি করে ফেলে তারা। ২ মাস পরে এসে মাথায় আসে যে, ভাইরাস প্রবেশ  করেছে। শুভবুদ্ধির উদয় হলো। কিন্তু ততোদিনে বড্ড দেরি হয়ে গেছে ইউরোপ-আমেরিকার!

তার ফলাফল দাঁড়ায় অত্যন্ত করুণ। ইটালি পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। স্পেনে শুরু হয় কোভিড-১৯ এর ত্রাস। ফ্রান্সের বুকে বুলেটের গতিতে ছুটে যায় করোনা। যুক্তরাষ্ট্রেও একইভাবে আঘাত হানতে শুরু করে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যের গনর্ভর নিজেই স্বীকার করে নিয়ে বললেন, দেশের ভেতর দিয়ে করোনা ছুটছে ‘বুলেট ট্রেনের গতিতে‘ (বিবিসি)। তার কথা সত্য হয় একদিন পরই। পরদিন থেকেই আমেরিকায় হাজারে হাজারে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত শনাক্ত হয়। মৃত্যু হতে থাকে শয়ে শয়ে মানুষের।

যুক্তরাষ্ট্র এখন করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর কেন্দ্রস্থল। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরাশক্তি এখন করোনাশক্তিতে রূপ নিয়েছে! সর্বোচ্চ কোভিড-১৯ আক্রান্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৩৫জন মানুষ আক্রান্ত (৩০ মার্চ,২০২০)। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৪৮৯ জন। আক্রান্তের সংখ্যার চেয়ে যদিও মৃতের সংখ্যা কম। সেটা আমেরিকা বলেই সম্ভব হচ্ছে। উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তো আছেই। আবার  তারা দ্রুত পরীক্ষাও করাচ্ছে, আলাদা করছে, বিচ্ছিন্ন করছে। এখন পযন্ত তারা প্রায় প্রায় ৭ লাখের মতো মানুষকে পরীক্ষা করিয়েছে। এরপরও মৃত্যু কমছে না। এরই মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প অশনি সংকেত দিয়ে বলেছেন, ‘কোভিডে কমপক্ষে ১ লাখ থেকে ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে আমেরিকায়‘(বিবিসি)!

ইটালি-স্পেন-ফ্রান্সের কথা কী-ই-বা বলবো? ৬শ থেকে ১ হাজারের ঘর থেকে তো কয়েকদিন ধরে মৃত্যুর হার নামছেই না দেশগুলোতে।

ইটালিতে প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে ৭শ থেকে ১ হাজার মানুষ। মোট আক্রান্ত হয়েছে ৯৭ হাজার ৬৮৯ জন। এটি সমগ্র বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত সংখ্যা। এর মধ্যে মারা গেছে ১০ হাজার ৭৭৯ জন (বিশ্বে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু)।

স্পেনেও মারা যাচ্ছে  অসংখ্য অসংখ্য লোক। প্রতিদিন ৬-৭ শ জনের মৃত্যু হচ্ছে দেশটিতে। মোট মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৮৩ জনের। গতকাল তো দেশটির রাজপরিবারের সদস্যও মারা গেলেন একজন। রাজকন্যা মারিয়া টেরেসা মারা গেছেন কোভিড-১৯ এর থাবায়! স্পেনে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৮০ হাজা ১১০ জন। এর মধ্যে কতো মানুষ বেঁচে থাকে সেটা সময়েই বলবে!

এরপরের অবস্থানটাই ইউরোপের আরেকটি দেশ জার্মানির। মোট ৬২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে সেখানে। দ্রুতগতিতে বাড়ছে আক্রান্তের হার। তবে ভাগ্য হয়তো ভালো। মৃত্যুর হার এখনো কম। ৫৪১ জন। কিন্তু অর্থনীতিক সংকটের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে গতকাল দেশটির স্বয়ং অর্থমন্ত্রীই আত্মহত্যা করেছেন। কতোটা অসহায় হয়ে পড়েছে আজ  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জনক হিটলারের জন্মভূমি জার্মানি!

একসময়কার সাম্রাজ্যবাদী শক্তি যুক্তরাজ্য কোাভিড-১৯ এর আঘাতে থরথর করে কাঁপছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও আক্রান্ত হয়ে আছেন এখন সেলফ আইসোলেশনে। প্রতিদিন ২শ এর মতো ব্রিটিশ নাগরিক মারা যাচ্ছেন কোভিডে। মোট মারা গেছে ১ হাজার ২২৮ জন। আক্রান্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৫২২ জন।

একইভাবে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, নরওয়ে সহ সমগ্র ইউরোপ এখন করোনা ক্ষেত্র। বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার!

তারা আসলে প্রস্তুতি নিতে বড্ড দেরি করে ফেলেছে। খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি প্রথমে। তাছাড়া অনেক বিশেষজ্ঞকে বলতে শুনেছি, কোভিড-১৯ রোগ ছড়াতে কোল্ড ওয়েদার বেশি সহায়ক। ইউরোপের রাষ্ট্রগুলো সেদিক থেকে ধরা সম্ভবত।

আবার যদি বলেন ইরানের কথা? সেখানে তো ইউরোপের তুলনায় ওয়েদার এতো কোল্ড নয়। তবে কেন মরছে প্রতিদিন দেড়শ করে মানুষ?

তার মানে শুধু যে ওয়েদারই ফ্যাক্ট তেমনটা নয়। প্রয়োজন যথাযথ নির্দেশনা মেনে চলা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

যদি দ্রুত পক্ষেপ গ্রহণ, সহজলভ্যে পরীক্ষা করা এবং শনাক্ত করা যায়  এবং আক্রান্তদের মাঝে কঠোরভাবে বিচ্ছিন্নতা বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে এই রোগের বিস্তার থেকে দেশকে কিছুটা হলেও রক্ষা করা সম্ভব!

আর যদি আফ্রিকার কয়েকটি দেশের মতো সরল স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেন, ‘আমাদের দেশে কোনো করোনা নেই। কেননা পরীক্ষার জন্য কোনো কিট নেই’, তাহলে থাক। এতো কথা আর বলার প্রয়োজন নেই।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।

 

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: করোনাকরোনা ভাইরাসবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

তাইজুলের ৭ উইকেট, দ্বিতীয় দিন শেষে ২৩০ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

জুন ২৯, ২০২৬

শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশের গেম চেঞ্জার: প্রধানমন্ত্রী

জুন ২৯, ২০২৬

চ্যানেল আইয়ের চিরশুভাকাঙ্খী ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার: শাইখ সিরাজ

জুন ২৯, ২০২৬

বিশ্বকাপে ব্যতিক্রমী আয়োজনে অভিভূত বিশিষ্টজনেরা

জুন ২৯, ২০২৬

জার্মানি যাদের নিয়ে নামতে পারে প্যারাগুয়ে পরীক্ষায়

জুন ২৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop
Bkash Full screen (Desktop/Tablet) Bkash Full screen (Mobile)

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT