দলে একতা আর ঐক্য থাকলে সম্ভব, সেটা কিছুদিন আগে প্রমাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী দল ভারতকে হারিয়ে এনেছে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা। যাদের একাগ্রতা থেকেই অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন সালমা খাতুনরা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে সোমবার ভারতের মেয়েদের হারিয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণভাবে শুরু করতে চায় টিম টাইগ্রেস।
মাত্রই ভারতের যুবাদের হারিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম বিশ্বকাপের স্বাদ দিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা। সেই আমেজ কাটতে না কাটতেই মেয়েদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। পার্থে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায়।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ১৭ রানে হারিয়ে আসর শুরু করা ভারত যে একবারেই ধরাছোঁয়ার বাইরে নয় তা বেশ ভালো জানা বাংলাদেশের। এই ভারতকে হারিয়ে দুইবছর আগে দেশকে প্রথম এশিয়া কাপ জয়ের স্বাদ দিয়েছিলেন সালমারা। সেই আসরে সুপার সিক্সেও বাংলাদেশের কাছে আরেকটি হার ছিল ভারতের।
অবশ্য একদিন আগেই পেসার জাহানারা আলম বলেছেন, দুইবছর আগের সুখস্মৃতি নিয়ে ভারতের বিপক্ষে নামতে চান না তারা। শেফালি ভার্মার মতো তরুণদের নিয়ে গড়া হারমানপ্রিত কাউরের দলটা সম্পূর্ণ আলাদা। সেই নতুন দলটাকে রুখতে আকবর আলীর দল থেকে প্রেরণা নিচ্ছেন সালমা।
‘সবার একাগ্রতা, মেধা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে কী করা যায় সেটা আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলই দেখিয়ে দিয়েছে। এই বিশ্বকাপের আগে তারা আমাদের জন্য দারুণ অনুপ্রেরণা। আমরা তাদের জন্য দারুণ গর্বিত। সাউথ আফ্রিকায় ওরা যা করেছে, অস্ট্রেলিয়াতেও আমরা সেটাই করতে চাই।’
যুবাদের মতো তার দলেও সবার মনে ভালো করার বিশ্বাস আছে বলে জানালেন সালমা। টানা কয়েকবছর একসঙ্গে খেলার আত্মবিশ্বাসটা ভারতের বিপক্ষে নিজেদের সেরা শক্তি বলে মানেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
‘গত বিশ্বকাপের পর থেকে আমাদের দলের মধ্যে একটা বিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে। গত দুইবছরে র্যাঙ্কিংয়ের অনেক ভালো দলকে আমরা হারিয়েছি। অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশেলে দলে দারুণ এক সমন্বয় আছে। মূল দলটা অনেকদিন ধরেই একসঙ্গে আছে। আর এই অভিজ্ঞতাটাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’
‘যদি কোনরকম বাঁধা ছাড়াই আমরা আগ্রাসী, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ভাবে খেলে যেতে পারি, তাহলে অবশ্যই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবো। নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে ফলটাও ঠিক থাকবে। কঠিন লড়াই আর শেষ বল পর্যন্ত হার না মানা- এটাই আমার দলকে বলেছি।’








